নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গত ৯ আগস্ট আরজিকর হাসপাতালে কর্মরত তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা সামনে আসতেই প্রকাশ্যে এসেছে আর্থিক দুর্নীতির খবর। আরজিকর হাসপাতালে সমস্ত জিনিস নিয়ে টেন্ডার দুর্নীতি চক্রে আটক করা হয় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় এজেন্সির জালে উঠে আসে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ বিপ্লব সিং-র নামও। সোমবার দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বিপ্লব সিংয়ের জামিনের মামলার শুনানি ছিল আলিপুর আদালতে। সেই মামলায় বড়সড় চক্রের দাবি তোলে সিবিআই।
এ দিন সিবিআই জানায়, আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত একাধিক প্রমাণ, নথি জোগাড় করা গিয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, বিপ্লব মোট ১৫টি হাসপাতালে চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ করত। এর মধ্যে ১৪টি রাজ্যের হাসপাতালে এবং ১টি ওডিশার। জামিনের আবেদন করে বিপ্লবের আইনজীবী এ দিন বলেন, সিবিআইয়ের তদন্ত শেষের পথে। এখন জামিন না দেওয়ার কোনও মানে নেই। পাল্টা সিবিআইয়ের দাবি, বিপ্লবকে জামিন দিলে তিনি সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। তদন্ত এই মুহূর্তে এক গুরুত্বপূর্ণ সীমায় রয়েছে, এই পরিস্থিতিতে জামিনের আবেদন সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। এছাড়াও জেলে গিয়েও জেরা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী।
উল্লেখ্য, গত ২৯ নভেম্বর আরজি কর দুর্নীতির মামলায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৮, ৪৭১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়। সন্দীপ ছাড়াও এই মামলায় অভিযুক্তের তালিকায় নাম রয়েছে সন্দীপের ঘনিষ্ট প্রোমোটার বিপ্লব সিং-সহ আফসার আলি, সুমন হাজরা ও আশিস পাণ্ডের।