নিজস্ব প্রতিনিধি: হিন্দি সিনেমার ভিলেনের মতোই তাঁর কার্যকলাপ। কথা হচ্ছে নাজিমুদ্দিনকে নিয়ে। কি করেছে এই নাজিমুদ্দিন জানেন? গত মঙ্গলবার প্রৌঢ় জব্বর মোল্লাকে কুপিয়ে খুন করেছে সে(Murder Case)। মৃত ব্যক্তি পেশায় ছিলেন একজন সবজি বিক্রেতা। তাঁর মেয়েকে বিয়ে করতে চেয়েছিল নাজিমুদ্দিন। এদিকে মেয়ের সঙ্গে নাজিমুদ্দিনের বিয়ে দিতে নারাজ জব্বর। তিনি অন্য জায়গায় মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেন। এরপর থেকেই জব্বরের প্রতি আক্রোশ পুষে রেখেছিলেন নাজিমুদ্দিন। মঙ্গলবার রাতে ধারালো অস্ত্র হাতে সে চড়াও হয় প্রৌঢ়ের উপর। তাঁকে কুপিয়ে খুন করে পালিয়ে যায় নাজিমুদ্দিন।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার(North 24 Paraganas District) বসিরহাটের(Basirhat Incident) মাটিয়া গ্রামে। মালতিপুর স্টেশন সংলগ্ন কোড়াপাড়ার কাছে প্রৌঢ় জব্বর মোল্লাকে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক নাজিমুদ্দিন। এদিকে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। স্থানীয়রা নাজিমুদ্দিনের বাড়িতে ভাঙচুরও চালায়। তাঁকে ধরার জন্য তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাটিয়া থানার পুলিশের একটি দল পৌঁছয় হাওড়া স্টেশনে(Howrah Railway Station)। সেখান থেকেই অভিযুক্ত নাজিমুদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন শুক্রবার তাঁকে বারাসাত আদালতে পেশ করা হবে।
আরও পড়ুনঃ ট্যাব কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ পুলিশের, টাকা গায়েবে জড়িত ১১৯৭ অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ
মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ার কারণেই জব্বরকে খুন করেছে নাজিমুদ্দিন এবিষয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মাটিয়া থানার ওসি মলয় বিশ্বাস জানিয়েছেন, মঙ্গলবার প্রৌঢ়ের দেহ উদ্ধারের পর থেকেই পুলিশ নাজিমুদ্দিনকে খুঁজছিল। সে ভিনরাজ্যে পালানোর চেষ্টা করতে পারে এমনটাই আন্দাজ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হাওড়া স্টেশনে যান তদন্তকারীরা। এরপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইন মাফিক উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে।