নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাত পোহালেই রাজ্যের ৬ আসনে উপনির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের আগেই বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে অভিযোগ পেতেই নড়েচড়ে বসল কমিশন। এবার স্পষ্টভাবে কমিশনের তরফে জানান হয়েছে, নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে থাকবে রাজ্য পুলিশ। শুধু তাই নয় সিএপিএফের কোম্পানি কমান্ডারের নেতৃত্বে গঠিত কুইক রেসপন্স টিমে রাজ্য পুলিসের এএসআই অথবা এসআই স্তরের একজন থাকবেন।
সোমবার উপনির্বাচন নিয়ে কমিশনে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ করা হয়েছিল, বিরোধীরা নানা চক্রান্ত করছে। যাতে তৃণমূলের ওপর দোষ চাপাতে পারে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন জানান , “নির্বাচন কমিশনের আচরণ পক্ষপাতহীন নয়। আমাদের মনে হচ্ছে, এই আচরণ বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেবে।“
তাই ৬ কেন্দ্রে উপনির্বাচন যাতে অবাধে ও শান্তিপূর্ণভাবে হয়, তার জন্যই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যায় রাজ্যের শাসক দল। এরপরেই তৃণমূলের চাপে নির্বাচন নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠল কমিশন। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশ থাকবে বলে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। বলা বাহুল্য, বুধবার সিতাই (কোচবিহার), মাদারিহাট (আলীপুরদুয়ার), নৈহাটি (উত্তর ২৪ পরগনা), মেদিনীপুর (মেদিনীপুর সদর), হাড়োয়া (উত্তর ২৪ পরগনা) এবং তালডাঙ্গা (বাঁকুরা) আসনে রয়েছে উপনির্বাচন । তা নিয়ে চলছে প্রস্তুতি।