নিজস্ব প্রতিনিধি : পুজোর মরশুমে মেতে উঠেছে বাঙালি। এইসময় চারিদিকে ধ্বনি ওঠে মাতৃশক্তির জয়জয়কার। দুর্গা পুজোর পরেই আসছে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথি শারদ পূর্ণিমা বা কোজাগরী পূর্ণিমা নামে পরিচিত। এই তিথিতে আরাধনা করা হয় মা লক্ষ্মীর।মনে করা হয় এই পূণ্যতিথিতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন মা লক্ষ্মী।চাঁদের আলোয় দেবী লক্ষ্মী মর্ত্যে নেমে আসেন। মনে করা হয় এইসময় পৃথিবীতে ভরে ওঠে সুখ-সম্পদ। ভক্তদের জীবন থেকে অর্থাভাব দূর করেন দেবী লক্ষ্মী।
কবে পড়েছে কোজাগরী পূর্ণিমা : প্রতি বছর আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। এই বছর কোজাগরী পূর্ণিমা পড়েছে আগামী ১৬ অক্টোবর রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে আর পূর্ণিমা শেষ হচ্ছে ১৭ অক্টোবর বিকেল ৪টে ৫০ মিনিটে। আপনি যদি রাতে পুজো করতে চান তবে ১৬ তারিখ রাতেই পুজো করে ফেলবেন। ১৬ তারিখেই হবে রাত্রি জাগরণ। অন্যদিকে কেউ যদি দিনের বেলা পুজো করতে চান, তবে ১৭ অক্টোবর দিনের বেলা পুজো করতে পারবেন।
মাহাত্ম্য : শারদ পূর্ণিমা মা লক্ষ্মীর জন্মতিথি হিসেবে পালন করা হয়। এই দিন অনেকে কৌমুদী ব্রতও পালন করেন। এই তিথিতে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। এইদিন ভক্তরা রাত্রি জাগরন করে লক্ষ্মীর আরাধনা করে থাকে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে এই দিনে চাঁদের আলোয় মর্ত্যলোকে নেমে আসেন সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মী। যাঁরা এদিন সারা রাত জেগে লক্ষ্মী দেবীর আরাধনা করেন, সেই সংসারে বিরাজ করেন তিনি। শুধু তাই নয়, প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে কোজাগরী পূর্ণিমায় পায়েস রান্না করে তা সারারাত চাঁদের আলোয় রেখে, সকালে সেই প্রসাদ হিসেবে খেলে শুভ ফল লাভ করা যায়।
মনে করা হয়, এইদিন যারা রাত জেগে লক্ষ্মীর আরাধনা করে তাঁদের জীবন থেকে সমস্ত বাধা কেটে যায়। ঋণের দায় থেকে মুক্তি পায় ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, দাম্পত্য জীবনে আসে সুখ । পরিবারে শান্তি ফিরে আসে।