নিজস্ব প্রতিনিধিঃ প্রথম ইনিংসে 233 রানে থেমে গিয়ে সিরিজের চতুর্থ দিনে রোহিত- যশস্বীদের ব্যাটে ঝোড়ো হাওয়া দেখেছিল পদ্মা পাড়ের দল। যেমনভাবে প্রথম 3 ওভারে দ্রুততম 50 করার পর একই ভঙ্গিতে ফাস্টেস 100 এর স্বপ্ন দেখেছিল ভারত। 23 রানে রোহিত আউট হয়েগেলেও সেই স্বপ্ন পূরণ করেন বাকিরা। সিরিজে 4 দিনের মাথায় রেকর্ড গড়ে পঞ্চম দিন বাংলাদেশের সাথে যুদ্ধে নামে ভারত। সেই ম্যাচেও বাংলাদেশের অবস্থা মোটেই স্বস্তিদায়ক হলো না।
পঞ্চম দিনের ম্যাচেও নাজেহাল অবস্থা বাংলাদেশের
অশ্বিনের বলে পঞ্চম দিন শুরু করে বাংলাদেশী ব্যাটাররা। পরপর দুই ওভারে টাইগারদের 5 রানের বেশি দেয়নি অশ্বিন এবং বুমরা। ম্যাচ ক্রমশ গড়াতে থাকে ভারতের দিকে। এক ঝটকায় মমিনুলের প্রথম উইকেট তুলে নেয় অশ্বিন। সতীর্থকে হারিয়ে খেলায় প্রাণ আনার চেষ্টা করছিলেন শন্তরা। 37 রানে এগিয়ে গেলেও লাভ খুব একটা হয়নি। প্রথম থেকেই জাদেজার আক্রমন ভারী হয়ে উঠছিল ওপার বাংলার ক্রিকেট দলের অধিনায়কের ওপর। শেষ পর্যন্ত জাদেজাকে উইকেট দেন শান্ত। শান্ত- শাদমনের অংশীদারিত্ব ভেঙে দিয়ে বাংলাদেশকে চতুর্থ উইকেট উপহার দেয় ভারত।
ম্যাচের গতির সাথে তাল মিলিয়ে অর্ধ শতরান করেন শাদমান। বুমারাদের আক্রমনের সামনে দীর্ঘ সময় টিকে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না তার। হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েই আকাশ দ্বীপের হাতে পরাস্ত হন তিনি। বাংলাদেশের ছন্নছাড়া ব্যাটিং দেখে বোঝাই যাচ্ছিল মঙ্গবলবারে ম্যাচও ভারতের দখলে। এরপর একার দক্ষতায় পরপর উইকেট ছিনিয়ে বাংলাদেশকে 7 উইকেটে নামিয়ে আনেন জাদেজা। শাকিব আল হাসানের শূন্যতে আউট হয়ে যাওয়া চাপ বাড়াতে থাকে বাংলাদেশের ওপর। শেষ পর্বে বুমরার জাদু মাত দেয় মেহেদিদের। দাবানলের গতিতে অষ্টম এবং নবম উইকেট হারিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা বাংলাদেশের। তবে চেষ্টা করেও সেই অবস্থার মোড় ঘোরাতে পারেনি টাইগাররা। 146 রানে দশম উইকেট হারিয়ে মাঠ ছাড়ে মুশফিক। প্রথমার্ধে শেষ হাসি হাসলো ভারত।
প্রসঙ্গত, গত দিনের ঝোড়ো ব্যাটিং বুঝিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের অবস্থান। ফলে চলতি ম্যাচের ওপারে কী হবে তার একটা আন্দাজ করতে পারছেন দর্শকরা।যদিও একই ছন্দে টিকে থাকা নিয়েও চাপ বাড়ছে রোহিত ব্রিগেডে। কাজেই পঞ্চম দিনের টেস্টে ভারতের জন্য কতটা শুভ হবে সেটাই এখন দেখার।