নিজস্ব প্রতিনিধি : অনেকেই আছেন যারা হাজার পরিশ্রম করেও অর্থ সঞ্জয় করতে পারেন না। হাতে টাকা এলেও তা ফুরিয়ে যায়। সংসারে অর্থাভাব বাড়ে। দেনার দায়ে গলা অবধি ডুবে থাকেন। এই নিয়ে বাস্তুশাস্ত্র জানাচ্ছে, এসবকিছু থেকে মুক্তি পেতে হলে মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম। তবেই হাল ফিরবে সংসারের। দূর হবে অর্থকষ্ট। তবে এর জন্য আহা মরি কিছু করতে হবে না। সমাধান লুকিয়ে আছে কর্পূরেই। কর্পূর একটি এমন জিনিস যা ছারপোকা তাড়াতে, ব্যথা বেদনায়, পুজোর কাজে ছাড়াও বাস্তুশাস্ত্রের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রাচীন কাল থেকে পুজোয় কর্পূরের ব্যবহার হয়ে আসছে। জেনে নিন কর্পূরের সাহায্যে কীভাবে অর্থকষ্ট দূর করবেন।
সংসারের হাল ফেরাতে : কর্পূরের সঙ্গে গোল মরিচ দিয়ে পোড়ালে সংসারের হাল ফিরে আসে। এছাড়াও কালো মরিচের সঙ্গে এবং কর্পূর পোড়ালে শনিদেব সন্তুষ্ট হন বলে মনে করা হয়া। সাড়ে সাত ধাইয়া থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
অর্থাভাব দূর করতে : অর্থকষ্ট দূর করার জন্য এই উপায়টি করতে পারেন। রাত হলে প্রথমে ভাল করে রান্নাঘর পরিষ্কার করে নেবেন। এরপর রুপোর বাটিতে লবঙ্গ ও কর্পূর জ্বালাবেন। এতে অর্থকষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়।
কাজে সফলতা পেতে : বাস্তুশাস্ত্র মতে, হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও কোনও কাজে সফল না-হলে, রুপোর বাটিতে নিয়মিত লবঙ্গ ও কর্পূর জ্বালান। এর ফলে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।পাশাপাশি দূর হবে দারিদ্রতা।
নেতিবাচকতা দূর করতে : কর্পূরের সঙ্গে দ্বারচিনি পোড়ালে শুক্র ও মঙ্গল গ্রহে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে৷ সংসারে সৌভাগ্য নিয়ে আসে। এছাড়াও কর্পূরের সঙ্গে ছোট এলাচ পোড়ালে সংসার থেকে নেতিবাচকতা দূর হয়। ইতিবাচক ও শুভ শক্তির বাস হয় বলে মনে করা হয়।
উল্লেখ্য, এই তথ্যগুলি বিশ্বাস অথবা মান্যতা নির্ভর।এটির সত্যতা যাচাই করে নি ‘এই মুহূর্তে’