Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ডোমের ছেলে বলে স্কুলে যাবে না?এ কোন সমাজে থাকছি আমরা?

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, নদিয়া: ডোমের ছেলে বলে স্কুলে যাবে না। এ কোন সমাজে আমরা থাকছি? আধুনিকতার যুগেও মধ্যযুগীও ভাবনা আমাদের?তাহলে কি আমরা আধুনিকতার নামে পিছিয়ে পড়ছি?উঠছে প্রশ্ন। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বড় হচ্ছে দুই শিশু। স্কুলে যেতে মানা এমনটাই অভিযোগ তার মা-বাবার। কারণ তারা মরা পোড়ায়, ডোমের কাজ করে। তাদের পাশে কেউ বসে না। এমনকি মিড ডে মিল পর্যন্ত খায় না। ওই শিশুদের মায়ের অভিযোগ আমরা মরা পোড়াই, তাই আমাদেরকে কোন স্কুলেই ভর্তি নিতে চায়না। স্কুলের মিড ডে মিল খেয়ে যেটুকু পেট ভরতো তাতে কিছুটা হলেও আহারের ব্যবস্থা হতো। বর্তমানে খুব সঙ্গীন অবস্থা তাদের। যদিও স্কুলের শিক্ষকদের অভিযোগ তারা স্কুলে আসে না।

বারবার বলা সত্ত্বেও তাদেরকে স্কুলমুখী করা যায়নি। শ্মশান ঘাটের মরা পুড়িয়ে যা আয় হয় তা দিয়েই দিন গুজরান হয় কালীনারায়নপুর পাহাড়পুর এলাকার এরেন্ডাপোতা শ্মশান ঘাটের কর্মী মল্লিক পরিবারের। একজনের বয়স ১০ বয়স ও অপর শিশুটির বয়স ৫ বছর । তাদের মা বাবা পেশায় শ্মশানে মৃতদেহের দাহ এর কাজ করেন। জানা যায়, আগে পাহাড়পুর প্রাইমারি বিদ্যালয়ে(Paharpur Primary School) তাদের দুই ছেলে পড়াশোনা করত।শিশুদের পরিবার যেহেতু ডোমের কাজ করতেন সেহেতু ওদের পাশে কেউ বসতো না। পাশাপাশি কটুক্তি করত এবং মিড ডে মিল(Mid Day Meal) খাওয়া বন্ধ করে দেয় এলাকার অন্য শিশুরা। কিন্তু যেহেতু শ্মশানটি পাহাড়পুর লাগোয়া পার্শ্ববর্তী গ্রাম এরান্দাপোতা অবস্থিত, তাই দূরত্ব থাকার কারণে রাত বেরোতে তাদের আসতে অসুবিধা হত। মৃতদেহের দাহ এর কাজ করতে।

সেই কারণে পাহাড়পুর থেকে এরান্দাপোতা শ্মশানে(Burning Ghat) চলে এসেছেন পরিবার নিয়ে। শ্মশানের ভেতরেই রয়েছে। একটি বীরনগর পৌরসভার পক্ষ থেকে সরকারি আবাসন সেখানেই তারা থাকেন। পাশেই যে বিদ্যালয়ে রয়েছে সেই বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বলা হলেও তাদেরকে আজকে নেব কালকে নেবো বলে দায় সেড়েছেন তারা। এ বিষয়ে পাহাড়পুর বিদ্যালয়ের দাবি এখনো বিদ্যালয়ে নাম রয়েছে , তবে বিদ্যালয়ে আসে না , বিদ্যালয়ের তরফ থেকে জানানো হয় তারা যদি বিদ্যালয়ে আসতে চায় আসতে পারে। কারোর কোন সমস্যা নেই । এছাড়া তারা যদি অন্য বিদ্যালয় পড়তে চান তাহলে আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় তারা যোগাযোগ করলে তাদেরকে দিয়ে দেওয়া হবে। তবে এরান্দাপোতা বিদ্যালয়ের দাবি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে টিসি সার্টিফিকেট(T C Certificate) নিতে হলে তাদেরকে আমরা ভর্তি নেব।

এর আগেও এসেছিল আমরা ওদেরকে বলে দিয়েছি। তার পর আর যোগাযোগ করেনি। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, এ বিষয়ে কেউ আমাদেরকে কিছু জানান নি। তবে আমি তাদের সাথে কথা বলবো এবং তাদের ভর্তির ব্যবস্থা করে দেবো। তবে এই বিষয়ে হবিবপুর বিডিও বলেন ,আমরা বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি তবে “এদের লেখাপড়ার যদি কোন রকম সমস্যা হয় তবে সরকারি হোমে তাদের পড়ানোর ব্যবস্থা করা হবে “। মল্লিক পরিবারের আক্ষেপ আমরা চাই না আমাদের ছেলেরা আমাদের মতো হোক “আমরাও চাই আর পাঁচটা ছেলে মেয়ের মতো তারাও মানুষ হোক ” ।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00