‘পদ্মশ্রীর বদলে একটা ঘর দিলে…..’, আর্তি বাঘমুণ্ডির দুখু মাঝির

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঘমুণ্ডি : মাটির রঙচটা দেওয়াল। ছাদের ত্রিপলের ছাউনি। ঘরের বহু জায়গায় ফাল। সেই দেওয়ালেই ঝুলছে পদ্মশ্রী পুরস্কার। স্কুল পাস না করলেও গাছ তাঁর নেশা। গাছের প্রতি প্রেম ও ভালোবাসা তাকে নিয়ে গিয়েছে রাইসিনা হিলসে। গাছের নেশাই তাঁকে বাঘমুণ্ডির গ্রাম থেকে পৌঁছে দিয়েছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সামনে। তিনি আর কেউ নয়, ইনি হলেন বাঘমুন্ডির প্রত্যন্ত গ্রাম সিন্দরির বাসিন্দা বছর আশির দুখু মাঝি। গাছ নিয়ে তাঁর জগৎ। প্রায় ৫ হাজারের বেশি গাছ লাগিয়েছেন তিনি।

২০২৪ সালে এই গাছের প্রতি প্রেম তাকে পাইয়ে দিয়েছে পদ্মশ্রী সম্মান। গোটা জঙ্গলমহলের কাছে গর্বের খবর। কিন্তু দুখুর দুঃখের শেষ নেই। ঘরে পদ্মশ্রী পুরস্কার থাকলেও, মাথায় নেই শক্তপোক্ত ছাদ। মাটির ছাউনি দেওয়া দুটো ঘরে থাকেন তিনি। প্রবল বৃষ্টির জেরে পুরুলিয়াতে জমেছে জল। তার জেরে দুখুর ঘর চলে গিয়েছে জলের তলায়। দুটো অশক্ত ঘর নিয়ে প্রতিবন্ধী ছেলে শম্ভু ও স্ত্রীকে নিয়ে সংসার চালান বড় ছেলে অন্য জায়গায় থাকেন। দুখু মাছের এক চিলতে ঘর। সেখানেও ছাউনি ভেঙে যাওয়া ত্রিপল দিয়ে ঢাকা হয়েছে। বর্ষার জল ঢুকছে ভেতরে। মাটির দেওয়াল একাধিক জায়গায় ধুয়ে গিয়ে ফাটল দেখা গেছে। বাঁশ দিয়ে কোনরকমে ঠেকনা দিয়ে রাখা হয়েছে ঘরটাকে।

দুখু মাঝি জানিয়েছেন, গাছ লাগানোর নেশার কারণে পদ্মশ্রী পেয়েছেন। পদ্মশ্রীর বদলে যদি কেউ একটা ঘর দিতেন তাহলে বিপদ কাটত। মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়া যেত। দুখু মাঝির বাবা মঙ্গল মাঝি ছিলেন দিনমজুর। বাবার সঙ্গেই ঘুরে ঘুরে কাজ করার সময় গাছ লাগানোর নেশা চেপেছিল তার। এক অনুষ্ঠানে গিয়ে গাছ ছাড়া না বাঁচায় মন্ত্র পেয়েছিলেন। তখন থেকেই গাছের প্রতি শুরু হয়েছিল ভালোবাসা। পড়াশোনা খুব বেশি না করায়, জানতেন না গাজ কিভাবে অক্সিজেন তৈরি করে। কিন্তু বুঝতে পেরেছিলেন চারদিকে গাছ লাগাতে হবে। তারপর থেকেই গাছ রোপন শুরু করেছিলেন তিনি। বট, অশ্বত্থ, পলাশ, শিমুল সহ নানা ধরনের কাজ রোপন হয়েছে তার হাতেই।

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]