নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হলেন গোকুলচন্দ্র দাস নামের এক ঢাকি। বাংলার ‘ঢাকি সম্রাট’ পুরস্কার পেলেন তিনি। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের সন্ধ্যেয় ঘোষিত হয়েছে দেশের পদ্মসম্মান প্রাপকদের নাম। সেই তালিকায় নাম উঠেছে গোকুলচন্দ্র দাসেরও। তাতেই আবেগে ভেসেছে গোকুলচন্দ্র দাস।
শনিবার যখন এই তালিকা ঘোষণা করা হয়, তখন তিনি ছিলেন দিল্লিতে। সেখান থেকেই নিজের আবেগ ভাগ করে নিয়েছেন সকলের সঙ্গে। জানিয়েছেন, ‘পুরুষতান্ত্রিক’ এই বাদ্যযন্ত্রকে রপ্ত করে আজ যে ভাবে মহিলারা পারদর্শী হয়ে উঠেছেন, তাতে গর্বিত তিনি।
এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন ঢাকি পরিবারের ছেলে তিনি। বাবার কাছেই শেখা। তবে তিনি ঢাক পেটান না, বাজান। এটা একটা শিল্প। তার বাবা খুব নাম করা ঢাকি ছিলেন। মতি ঢাকিকে এক নামে সকলে চিনতেন।
উল্লেখ্য, গোকুল তার প্রতিভা দেখিয়েছেন সান ফ্রান্সিসকো, শিকাগো, নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, বার্লিন-সহ একাধিক জায়গায়।দর্শকদের মনও জুগিয়েছেন তিনি। তবে তিনি এই প্রতিভাকে শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি, এলাকার মহিলাদের মধ্যেও তা ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে আসে মহিলারাও। গ্রামের মেয়েরা ঘর সংসার সামলে ঢাক বাজান, সেই ঢাক বাজিয়ে সংসারও টানেন।২০১০ সাল থেকে শতাধিক মহিলা ঢাকিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন গোকুলচন্দ্র। মহিলাদের সুবিধার কথা ভেবে দেড় কেজি ওজনের ঢাকও তৈরি করেছেন তিনি।