নিজস্ব প্রতিনিধি নৈহাটি: উত্তর ২৪পরগনা জেলার নৈহাটিতে প্রকাশ্য দিবালোকে শুট আউট। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক কাজিয়া তুঙ্গে উঠেছে। ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক(MP Partha Bhowmick) দাবি করেছেন এই খুনে মোট সাতজন ছিল। যারা খুন করেছে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রাক্তন সংসদ অর্জুন সিং – এর ঘনিষ্ঠ। যারা খুন করেছে তারা এবার জেলে ঢুকবে। ধীরে ধীরে হালিশহর কাকিনাড়া জগদ্দল এসব এলাকায় সমাজবিরোধী মুক্ত হচ্ছে। এবার নৈহাটিতে হানাহানি শুরু করেছে। সেখানেও সমাজবিরোধী শূন্য হবে। যে খুন হয়েছে সে তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিল। স্থানীয় বেশ কিছু নির্বাচনে তার ভূমিকা যথেষ্ট ছিল। তাই তাকে টার্গেট করে। নৃশংসভাবে খুন করে।
এই ঘটনার পর নৈহাটিতে(Naihati) বিজেপির পার্টি অফিসে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। নৈহাটির গৌরীপুর এলাকায় সিংহ ভবন বিজেপি পার্টি অফিসে দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে সেখানে একটি বিজেপি কর্মীর লজ ভাঙচুর অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। নির্বাচনের সময় এই লজটি বিজেপির কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শাসক দলে দুষ্কৃতীরা যুক্ত। সাংসদ পার্থ ভৌমিক এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।শুক্রবার বিকেলে নৈহাটির ব্যানার্জি পাড়াতে ব্যবসায়ী সন্তোষ যাদবকে দুষ্কৃতীরা গুলি ছুঁড়ে ও পাথর দিয়ে থেতলে নৃসশংসভাবে খুন করে। নৈহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে রক্তাক্ত অবস্থায় ব্যবসায়ী সন্তোষ যাদবকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। নৈহাটিতে তৃণমূল কর্মীকে গুলি করে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নৈহাটিতে তৃণমূলকর্মী সন্তোষ যাদবের উপর হামলা করা হয়েছে অভিযোগ। নৈহাটির পানিট্যাঙ্কিতে তৃণমূলকর্মীকে লক্ষ্য করে চলে গুলি !
এরপরই আক্রান্ত তৃণমূলকর্মীর মৃত্যু হয়, দাবি স্থানীয় নেতৃত্বের। এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয় মৃত্যুর কারণ। তবে যেটা জানা গিয়েছে, সন্তোষ যাদব তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে, বিজেপি প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ঘনিষ্ঠ রাজেশ সাউয়ের চক্ষুশূল হয়ে উঠেছিলেন। এলাকায় অসামাজিক কাজকর্মের প্রতিবাদ করছিল। সেই কারণেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান থেকে জানা গিয়েছে, গুলি সরাসরি ব্যবসায়ী সন্তোষ যাদবের কপালে লাগে। খুব কাছ থেকে তাকে গুলি করা হয়েছে।রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। এই শুট আউট এর খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ব্যক্তিগত সত্যতা নাকি ব্যবসায়িক শত্রুতা এই খুনের পেছনে তার কারণ খুঁজছে পুলিশ।