Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

পুজোর ছুটিতে প্রেম, তারপরেই ঘরছাড়া নাবালিকারা, বাড়ি ফেরাতে হিমসিম খাচ্ছে পুলিশ

অধিকাংশ নাবালিকাই প্রেমে পড়েছে পুজোর ছুটিতে। আর সেই ছুটি শেষের আগেই তাঁরা ঘর ছেড়েছে প্রেমের টানে। এমন ঘটনার পরিসংখ্যানটাও চমকে দেওয়ার মতো।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাতে হাতে ঘুরছে মোবাইল। সেখানেই মিসকলে আলাপ। কয়েকদিনের কথাবার্তাতেই প্রেমে হাবুডুবু। শেষে বেপাত্তা হতে হুঁশ ফিরছে বাবা-মায়ের। মেয়ে আমার গেল কই! হ্যাঁ, এটাই চূড়ান্ত সত্য এখন গ্রামবাংলা থেকে শহর বাংলাতে(Bengal)। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ, কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ, বনগাঁ থেকে ঝালদা, ছবিটা সর্বত্রই সমান। কমবেশি সব থানাতেই বাবা-মারা এসে হত্যে দিচ্ছেন, ‘মেয়েকে ফিরিয়ে দিন’। আর সেই সব ঘটনার তদন্তে নেমে কার্যত নিজেরাই অবাক হয়ে যাচ্ছেন পুলিশের(Police) আধিকারিকেরা। প্রথমে তাঁরা ভেবেছিলেন, প্রেমের ফাঁদে মেয়ে পাচার হচ্ছে। কিন্তু ঘটনার তদন্তে নেমে তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন, শুধুমাত্র প্রেমের টানে ঘর ছাড়ছে নাবালিকারা(Minor Age Girls Leaving Home for Love)। সেই প্রেমও আবার হাতেগোনা কয়েকদিনের মাত্র। অধিকাংশ নাবালিকাই প্রেমে পড়েছে পুজোর ছুটিতে(Festival Vacation)। আর সেই ছুটি শেষের আগেই তাঁরা ঘর ছেড়েছে প্রেমের টানে। এমন ঘটনার পরিসংখ্যানটাও চমকে দেওয়ার মতো।

আরও পড়ুন, উপনির্বাচন মিটলেই তৃণমূলের সংগঠনে বড়সড় ঝাঁকুনি, রদবদল চূড়ান্ত

ঘটনা হচ্ছে, সরকারি, বেসরকারিভাবে সচেতনতার পরও নাবালিকা বিয়ে আটকানো যাচ্ছে না। আগের থেকে প্রবণতা কমলেও ঘটছে নাবালিকা বিয়ে। অল্প বয়সে প্রেমের ফাঁদে পড়ছে নাবালিকারা। পুজোর ছুটি চলছে। দীর্ঘ পুজোর ছুটিতে স্কুল পড়ুয়া নাবালিকারা সোশ্যাল মিডিয়ায়(Social Media) আলাপ থেকে জমে ওঠা প্রেমের টানে ঘর ছাড়ছে। পরিসংখ্যান বলছে, পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা ও নাদনঘাট থানা এলাকায় গত ২০ দিনে ১৫ জন পালিয়ে যাওয়া নাবালিকাকে উদ্ধার করে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু এই ফেরানোর কাজটি করতে গিয়েই হিমসিম খেতে হচ্ছে পুলিশের আধিকারিকদের। এই সব ঘটনায় থানায় নাবালিকার ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দায়ের হতেই কেস রুজু করে নাবালিকা উদ্ধারে নেমে পড়ছেন আধিকারিকেরা। এমনও দেখা গেছে, প্রেমের টানে বিয়ে করে পুলিশের অভিযানের উপস্থিতি বুঝে মুছে ফেলছে সিদুর, খুলে ফেলছে শাঁখা। পুলিশের কছে নাবালিকারা স্বেচ্ছায় বাড়ির সমস্যায় পালিয়ে যাওয়ার বয়ান দিচ্ছে। অধিকাংশ মেয়ে বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাচ্ছে। আবার আদালতের নির্দেশে হোমে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।  

আরও পড়ুন, বেসরকারি বাস নিয়ে মুখ্যসচিবকে বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

মেয়েদের ফিরে পেয়ে বাবা-মা কী বলছে? তাঁদের অধিকাংশের দাবি, মেয়েরা বই, খাতা নিয়ে পড়তে যাচ্ছে। তারপর মেয়ে কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, একজন বাবা-মা কতটা খোঁজ রাখতে পারে? মেয়েরা যদি নিজেদের ভালোটা না বোঝে, তবে বাবা মায়েদের অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়তেই হবে! পুলিশের কী বক্তব্য? তাঁদের দাবি, নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পেলেই তাঁরা তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারে উদ্যোগ নিচ্ছেন। কিন্তু নাবালিকাদের বাড়ি ছাড়া রুখতে স্কুল ও সামাজিক স্তরে মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা আরও বৃদ্ধি হওয়া দরকার। স্কুলের কী দাবি? তাঁদের বক্তব্য, মাঝেমাঝেই মেয়েদের নিয়ে সচেতনতার শিবির করানো হয়। তাদের বোঝানো হয়। নাবালিকা বিয়ের নানা সমস্যার দিকগুলি তুলে ধরা হয়। তাঁরা মনে করেন অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়া দরকার। অর্থাৎ সবাই বেশ সুন্দর ভাবে বল একে অপরের কোর্টে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। কেউ কিন্তু সামগ্রিক দায়দায়িত্ব নিচ্ছেন না। আর এটাই ভাবাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের। বাড়ছে মেয়ে পাচারের সম্ভাবনা।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00