নিজস্ব প্রতিনিধি : কসবা ল কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় নিন্দা তৃণমূলের। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা জানিয়েছেন, এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দাজনক। সকলেই মর্মাহত। তৃণমূল কংগ্রেস নির্যাতিতার পাশে রয়েছে। পুলিশ ১২ ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছে। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিন বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেছেন, অপরাজিতা বিল আটকে রেখেছে বিজেপি। একমাত্র বাংলার সরকারই অপরাজিতা বিল নিয়ে কথা তুলেছে। কিন্তু সেটা আটকে রেখেছে বিজেপি।
মন্ত্রীর পাশাপাশি এই ঘটনার নিন্দা করেছেন টিএমসিপি রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ধরনের ঘৃণ্য ঘটনার ধিক্কার জানার ভাষা নেই। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি দেওয়া হবে। কলেজে গণধর্ষণের ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চলছে।
কসবা থানা এলাকার কলেজের মধ্যেই ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। ধর্ষণের অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম মনোজিৎ মিশ্র, জেব আহমেদ, প্রমিত মুখোপাধ্যায়। খাস কলকাতায় কলেজের মধ্যেই ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কসবার ল-কলেজে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃত মূল অভিযুক্ত কলেজেরই প্রাক্তনী বলে অভিযোগ। বাকি ২ জনের মধ্যে একজন কলেজের কর্মী ও ১জন কলেজের পড়ুয়া। চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যালে নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়েছে। নমুনা সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়েছে ফরেন্সিক টিম।
জানা গিয়েছে, গত বুধবার কলেজের মধ্যেই ওই ছাত্রীকে গণমধর্ষেণের অভিযোগ উঠেছে কলেজের প্রাক্তন ছাত্রের বিরুদ্ধে। তার সঙ্গে আরও ২ জন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। বলা হয়েছে, বুধবার কলেজের ভিতরেই ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ৩ জন। তারপরেই কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযোগ দায়ের করার পরেই চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল মেডিক্যালে তাঁর মেডিক্যাল টেস্ট করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরেই তদন্তে নেমে ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের শুক্রবার আদালতে তোলা হয়েছে। অভিযুক্তদের আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।