Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

নবান্ন অভিযানে অশান্তি ঠেকাতে হাওড়া-কলকাতায় কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী

নবান্ন অভিযানের দিনে হাওড়া ও কলকাতার নাগরিক নিরাপত্তার স্বার্থে বেশ কিছু কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে লালবাজার। মোতায়েন থাকছে পুলিশও।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আর জি কর কাণ্ডের(R G Kar Incident) প্রেক্ষাপটে আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ২৭ অগস্ট নবান্ন অভিযানের(Nabanna Abhiyaan) ডাক দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে একটি সংগঠন। যদিও লালবাজারের কাছে খবর, অরাজনৈতিক সংগঠনকে সামনে রেখে আসলে বিজেপি(BJP) এই অভিযানের নামে অশান্তি করতে পারে। সেই অশান্তি সুকৌশলে ছড়িয়ে দেওয়া হবে হাওড়া(Howrah) ও কলকাতার(Kolkata) বুকে। চেষ্টা হতে পারে শহর স্তব্ধ করার। এমনটাই আঁচ করছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাদের। কার্যত তাঁদের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই এবার হাওড়া ও কলকাতার নাগরিক নিরাপত্তার স্বার্থে বেশ কিছু কড়া ব‌্যবস্থা নিচ্ছে লালবাজার। নবান্ন অভিযানের নামে যাতে কলকাতার বুকে কোনও গোলমাল ছড়িয়ে দেওয়া না যায় তার জন‌্য রাস্তায় নামানো হচ্ছে অতিরিক্ত ৪ হাজার পুলিশ। ৭টি জায়গায় থাকছে ব‌্যারিকেড। অভিযানের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশবাহিনীকে নির্দেশ দেবেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকরাও। নামানো হচ্ছে জলকামান ও ‘বজ্র’। ড্রোনেও হবে নজরদারি। নবান্ন ঘিরে থাকবে হাওড়া কমিশনারেটের প্রায় ২ হাজার পুলিশ।

আরও পড়ুন, বদলি হতে পারেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম

লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার দিক থেকে দ্বিতীয় হুগলি সেতু বা বিদ্যাসাগর সেতু এবং রবীন্দ্র সেতু বা হাওড়া ব্রিজ দিয়ে যাতে কেউ নবান্নের দিকে যেতে না পারে তার জন্য ধর্মতলা, হেস্টিংস ক্রসিং, দ্বিতীয় হুগলি সেতু, হাওড়া ব্রিজ, রেসকোর্সের গেট, টার্ফ ভিউ এবং নবান্নের কাছে ব‌্যারিকেড করবে পুলিশ। তিনটি বলয়ে হবে ব‌্যারিকেড। গার্ডরেলের বলয় ভাঙলেও তার পরের বলয়ে থাকছে বাঁশের তৈরি সিজার ব‌্যারিকেড। তৃতীয় বলয়ে থাকছে ইস্পাতের গার্ড ওয়াল। তার অন‌্যপাশে থাকবে র‌্যাফের বিশেষ বাহিনী। প্রত্যেকটি ব‌্যারিকেডের দায়িত্বে থাকছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও যুগ্ম পুলিশ কমিশনার পদপর্যাদার আধিকারিক। সঙ্গে থাকছেন একাধিক ডিসি, অ‌্যাসিস্ট‌্যান্ট কমিশনার ও ইন্সপেক্টর। প্রত্যেকটি ব‌্যারিকেডে গড়ে থাকছে ৫০০ থেকে ৬০০ পুলিশ। প্রথমে ঘোষণা করে আন্দোলনকারীদের সরে যেতে বলা হবে। গার্ডরেল ভাঙার চেষ্টা হলে জলকামান বা রবার বুলেট ব‌্যবহার করা হতে পারে। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, প্রথমেই চেষ্টা করা হবে যাতে লাঠি চালাতে বা কাঁদানে গ‌্যাস ছুড়তে না হয়। কোনওপক্ষের কেউ যাতে আহত না হন, তাই থাকছে পুলিশের লক্ষ‌্য। কিন্তু তার ওপরও কেউ গোলমাল করার চেষ্টা করলে জলকামান ব‌্যবহার করে জলের তোড়ে জনতাকে সরানোর চেষ্টা হবে।

আরও পড়ুন, নবান্ন অভিযানের নামে হিংসাত্মক ঘটনার আশঙ্কা তৃণমূলের

যাতে রাস্তা থেকে কেউ ইট বা পাথর কুড়াতে না পারেন, তাই সোমবার রাতের মধ্যে রাস্তার দু’পাশে ইট বা পাথর পরিষ্কার করে দেওয়া হচ্ছে। যদি কেউ নিজেদের সঙ্গে ইট বা কোনও অস্ত্র নিয়ে আসেন, সেই দৃশ‌্য ড্রোন বা রাস্তার সিসিটিভি ক‌্যামেরায় ধরা পড়লে সেই ব‌্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব‌্যবস্থা নেবে লালবাজার। পুলিশের অনুরোধ, পরীক্ষার্থী বা অন‌্য কেউ অসুবিধায় পড়লে যেন তিনি পুলিশের সাহায‌্য নেন। ১০০ ডায়াল করলে অথবা নিকটবর্তী থানায় যোগাযোগ করলেই ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে নবান্নের আশেপাশের এলাকাতেও এদিন থেকে নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। নবান্নের জন্য রয়েছে বিশেষ কড়াকড়ি। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও, হাতে গোনা যারা আছেন তাঁদের সচিত্র পরিচয়পত্র দেখা হচ্ছে নবান্নের গেটের মুখেই। এছাড়াও, নবান্নের আশপাশের সমস্ত রাস্তাতেই আজ থেকেই বাড়ানো হয়েছে পুলিসের সংখ্যা। ফরশোর রোডের ওপর এদিন থেকেই তৈরি রাখা হয়েছে বিশেষ ধরনের গার্ড রেল। বেলেপোলের দিক থেকে আসা রাস্তা ছাড়াও নবান্ন অভিমুখে যাওয়ার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিকে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। এমনকী কাল সকাল থেকেই নবান্নের আশেপাশের ছোট গলি ও রাস্তাগুলোতেও মোতায়েন থাকবে পুলিশ বাহিনী। সাঁতরাগাছি, ফোরসোর রোড এবং হাওড়া ময়দান এলাকার মত নবান্নে ঢোকার মূল পয়েন্টগুলোতে তৈরি থাকবে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়। মজুত রাখা হচ্ছে জল কামানও।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00