নিজস্ব প্রতিনিধি: শিউলি ফুলের গন্ধ, চারপাশে বাঁশের ম্যারাপ বাঁধা, দোকানে, বাজারে, শপিং মলের ভিড় বলে দিচ্ছে পুজো এসে গিয়েছে। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব(Durga Puja)। পুজোর কটা দিনের আনন্দের জন্য সারাবছরের অপেক্ষায় থাকি আমরা। অপেক্ষায় থাকে রাজ্য পরিবহন দফতরও(West Bengal State Transport Department)। প্রতি বছরের মতো তাঁরাও এবার হাজির হয়েছে একগুচ্ছে পুজো পরিক্রমা(WBTC Puja Parikrama) নিয়ে। ২০২৪ সালের পুজোয় পরিবহন দফতর শহর কলকাতার পাশাপাশি গ্রামের পুজো, জেলার পুজো দেখানোরও ব্যবস্থা করেছে। থাকছে ভলবো এসে বাসে চড়ে বনেদি বাড়ির ঠাকুর দেখানোর ব্যবস্থা। শহরের বারোয়ারি পুজোরগুলি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকছে এবারের আকর্ষণে। থাকছে শহর থেকে দূরে গ্রামবাংলার পুজো দেখানোর ব্যবস্থাও। নিয়ে যাওয়া হবে ধান্যকুড়িয়া ও আড়বালিয়া গ্রামে। থাকছে কামারপুকুর ও জয়রামবাটির পুজো দেখানোর জন্য আলাদা করে পরিক্রমাও।
জানা গিয়েছে ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী ৩ দিন থাকছে কলকাতার বনেদি বাড়ির পুজো দেখানোর ব্যবস্থা। দেখানো হবে শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজো, ছাতুবাবু-লাটুবাবুর বাড়ির পুজো, রানী রাসমণির পুজো, বেহালা রায় বাড়ির পুজো, সাবর্ণ রায় চৌধুরী বাড়ির পুজো। ভাড়া পড়বে মাথাপিছু ২০০০ টাকা। থাকছে সকালের জলখাবার, দুপুরের লাঞ্চ ও বিকালের চা পানের ব্যবস্থাও। জলপথ ও স্থলপথের মাধ্যমেও উত্তর কলকাতার বেশ কিছু পুজো দেখানোর মতো ব্যবস্থা থাকছে এবছর পৃথক একটি পরিক্রমার মাধ্যমে। সেখানে আহিরিটোলা থেকে বাগবাজারের মতো এলাকাকেই প্রধান্য দেওয়া হবে। মাথাপিছু ভাড়া পড়বে ৮০০ টাকা করে। এই সব পরিক্রমার বিষয়ে জানতে ভিজিট করুন www.wbtconline.in ওয়েবসাইটে। কিংবা ফোন করতে পারেন 9830177000 ফোন নম্বরেও। সরাসরি এই বিষয়ে গিয়ে খোঁজ নিতে পারেন ধর্মতলার ট্রাম টার্মিনাস, হাওড়া বাস টার্মিনাস, যাদবপুর এইট-বি বাস টার্মিনাস, গড়িয়া ৬ নম্বর বাস টার্মিনাস, বেহালা ১৪ নম্বর বাস টার্মিনাস ও টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপোতে।
পরিবহণ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এই সব পরিক্রমায় বাসে বা লঞ্চে থাকবেন যাত্রীসহায়ক, যিনি দর্শনার্থীদের পুজো পরিক্রমায় সহায়তা করবেন। প্রতিটি বাসে ও লঞ্চে থাকবে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও। প্রতিটি পুজো পরিক্রমার জন্য সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে বুকিং করা যাবে বা বিভিন্ন টার্মিনাল ও ডিপো থেকেও বুকিং করা যাবে। সেই সঙ্গে প্রত্যেক দর্শনার্থীকে সঙ্গে সচিত্র পরিচয়পত্র রাখতে হবে। এই সব পুজো পরিক্রমায় ৫ বছরের কম বয়সী কোনও শিশুর জন্য কোনও ভাড়া লাগবে না। তবে এক্ষেত্রে তাদের জন্য সিট বুকিংও করা যাবে না। প্রতিটি পরিক্রমাতেই পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে।