Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নবান্নে বৈঠক টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিঙ্গুর আন্দোলন পর্বে গড়ে ওঠা তিক্ততা অতীত। বাংলায় আরও বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে বুধবার (৯ জুলাই) নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরণ। প্রায় এক ঘন্টার মধ্যে দুজনের মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বাংলার শিল্পোন্নয়ন এবং শিল্পক্ষেত্রে উদীয়মান সম্ভাবনা নিয়ে টাটা সন্স এবং টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। রাজ্যে টাটা গোষ্ঠীর বিনিয়োগকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টাটা সন্সের চেয়ারম্যানকে যেভাবে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান তাতে স্পষ্ট, সিঙ্গুরের আন্দোলন পর্ব অতীত।

বাম জমানায় মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সিঙ্গুরে ন্যানো গাড়ির কারখানা করার জন্য ডেকে এনেছিলেন রতন টাটাকে। অন্নদাতাদের জমি গায়ের জোরে কেড়ে গাড়ি কারখানা গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জোর করে জমি দখলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন সিঙ্গুরের কৃষকরা। গরিব কৃষকদের হয়ে ‘জমি বাঁচাও’ আন্দোলন শুরু করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জমি অধিগ্রহণ ঘিরে গড়ে ওঠা আন্দোলনের জেরে শেষ পর্যন্ত বাংলা থেকে ন্যানো প্রকল্প গুটিয়ে গুজরাতে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন রতন টাটা। এমনকি ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে পরোক্ষে সিপিএমের সুবিধা করে দিতে বিজ্ঞাপনও দিয়েছিলেন রতন টাটা। তিনি চেয়েছিলেন বাংলার মানুষের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খলনায়িকা বানাতে। উল্টে রতন টাটা-ই বাংলার মানুষের কাছে ‘খলনায়ক’ হয়ে উঠেছিলেন। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের আন্দোলনের ফলে ২০১১ সালে বাংলার ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছিল। ৩৪ বছর ধরে ‘জগদ্দল পাথরের’ মতো চেপে বসে থাকা সিপিএমকে হটিয়ে বাংলার মানুষকে মুক্তির স্বাদ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অতীতের তিক্ততা ভুলে অবশ্য মমতা জমানায় বাংলায় একাধিক প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে টাটা গোষ্ঠীর মালিকানাধীন বিভিন্ন সংস্থা। তার মধ্যে যেমন রয়েছে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস, তেমনই রয়েছে টাটা কেমিক্যালস। গত ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে রাজ্য সরকারের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরণকে। তবে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় তিনি আসতে পারেননি। না আসতে পারার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন। পরে বাংলায় আসবেন বলে কথা দিয়েছিলেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00