Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

জীবনের অন্তিম সময়ে দক্ষিণেশ্বরের নহবতেই থাকতেন ঠাকুরের গর্ভধারিণী

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায় : ভারতীয় উপমহাদেশের বুকে বহু ধার্মিক ভাগ্যবতী রত্নগর্ভার জন্ম হয়েছিল। এমনই এক অত্যন্ত ধার্মিক মহিয়সী নারী ছিলেন চন্দ্রমণিদেবী। যিনি ছিলেন যুগাবতার শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের জননী ও পরম ধার্মিক ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী। কথিত আছে, চন্দ্রমণিদেবীর জন্ম হয়েছিল মায়াপুর গ্রামে। ছোট থেকেই তাঁর সরলতা, দেবদ্বিজে ভক্তি এবং সর্বপরি সততা সকলকে মুগ্ধ করত। তিনি ছিলেন স্নেহ ও সরলতার মূর্তি। লোকমুখে প্রচলিত, প্রতিবেশীরা তাদের বিপদে-আপদে সর্বদা তাঁর সহানুভূতি পেত। দরিদ্রদেরও তাঁর প্রতি ছিল অগাধ ভরসা, যে চন্দ্রামণিদেবীর কাছে তারা এলেই তিনি অত্যন্ত যত্নসহকারে তাদের উদরতৃপ্তি ঘটাবেন।  এমনকী তাঁর দ্বার সর্বদা প্রতিবেশী বালক-বালিকাদের জন্য খোলা থাকত।

রামকৃষ্ণ পরমহংসের জীবন কাহিনী সুগভীরে বিশ্লেষণ করলে জানতে পারা যায়, তাঁর মা চন্দ্রমণি জাগ্রত অবস্থায় অথবা নিদ্রিত অবস্থায় প্রায়শই নানাপ্রকার অলৌকিক ঘটনা দেখতে পেতেন। এতে তিনি কখনও কখনও অত্যন্ত ভয় পেতেন আবার   কখনও বিস্মিত হতেন। জনশ্রুতি আছে, একবার কোজাগরী পূর্ণিমার রাত্রে তিনি মা লক্ষ্মীকে দর্শন করেছিলেন। চন্দ্রমণির ৪৫ বৎসর বয়সে গদাধরের আবির্ভাবের পূর্বেও তিনি এমন অলৌকিক এক জ্যোতির দর্শন পেয়েছিলেন। তিনি তাঁর বাড়ির পাশে যুগীদের শিব মন্দিরের পাশ দিয়ে যাওয়াকালীন হঠাৎ দেখেছিলেন, সেই শিবলিঙ্গ থেকে এক অপূর্ব জ্যোতি বেড়িয়ে এসে তাঁর জঠরে প্রবেশ করে। সাথে সাথে তিনি অচৈতন্য হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলেন। অন্যদিকে আবার, ক্ষুদিরাম চট্টোপাধ্যায় যখন গয়ায় তীর্থভ্রমণে গিয়েছিলেন, তিনি একদিন রাতে স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন যে, ভগবান বিষ্ণু তার সন্তান হয়ে জন্মগ্রহণ করবেন। ভগবান শ্রী বিষ্ণু তাঁকে শঙ্খ-চক্র-গদা-পদ্মধারী গদাধর রূপে স্বপ্ন দিয়েছিলেন আর তাই রামকৃষ্ণ দেবের নাম রাখা হয়েছিল গদাধর।

খুব স্বাভাবিকভাবেই গদাধর শৈশব থেকে দেবদ্বিজে ভক্তির ভাব তাঁর মা ও বাবার কাছ থেকেই পেয়েছিলেন। জানা যায়, জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে প্রায় ১২ বৎসর চন্দ্রমণি দক্ষিণেশ্বরে কাটিয়াছিলেন। তিনি প্রথমে মথুরবাবুদের কুঠিবাড়িতে এবং শেষে নহবতের দোতলায় থাকতেন। মায়ের কাছে থাকার জন্যেই শ্রীরামকৃষ্ণ বৃন্দাবনে গঙ্গামায়ীর কাছে থাকেননি বলে জানতে পারা যায়। ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে ৮৫ বৎসর বয়সে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। শেষ মুহূর্তে তাঁর দেহ গঙ্গাতীরে আনা হয়েছিল এবং ঠাকুর তাঁর গর্ভধারিণীর চরণে অঞ্জলি দিয়েছিলেন।

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

মহেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

মেয়েকে আগলে নিয়ে গণপতি দর্শনে ঐশ্বর্য, ভিড়ের মাঝেও ভক্তদের আবদার মেটালেন নায়িকা

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

0:00