নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আরজি করের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের মামলার পরবর্তী শুনানির দিনক্ষণ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী সোমবার ৯ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে। ওই দিন মামলায় কী নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত, সে দিকেই তাকিয়েই গোটা দেশ।
গত ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ধর্ষণ করেই ওই তরুণী চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন। ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে বিজেপি-সিপিআইএম-কংগ্রেস সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তাদের দোসর হয়ে আসরে নেমেছে স্বঘোষিত বিশিষ্টজন এবং তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী হিসাবে পরিচিত চিকিৎসকদের একাধিক সংগঠন। আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের খুনের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ করে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি ডিওওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পাদরিওয়ালা ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে ইতিমধ্যেই দু’দফায় শুনানি হয়েছে।
বৃহস্পতিবারও (৫ সেপ্টেম্বর) মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। সেই শুনানিতে পরোক্ষ চাপ তৈরিতে বুধবার দ্বিতীয় দফার রাত দখল কর্মসূচি নেয় তৃণমূল বিরোধী দলগুলি এবং রাতারাতি গজিয়ে ওঠা একাধিক ভুঁইফোঁড় সংগঠন। সন্ধ্যাতেই সুপ্রিম কোর্টের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির থাকছেন না প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। ফলে তাঁর নেতৃত্বে যে তিন বিচারপতির বেঞ্চ বসার কথা ছিল, তা বাতিল হচ্ছে। আর ওই ঘোষণার পরেই রাস্তায় নেমে শীর্ষ আদালতকে সোজাসুজি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় আরজি কর কাণ্ড নিয়ে ঘোলাজলে মাছ ধরতে নামা কুচক্রীরা। স্লোগান ওঠে, ‘শুনানি যত পিছবে, মিছিল তত বাড়বে’।