নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ১০ জুলাই রাজ্যের ৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন রয়েছে। সেই ৪ কেন্দ্র হল উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ, দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া জেলার রানাঘাট দক্ষিণ, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা এবং কলকাতার মানিকতলা। এই ৪ কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য সবার আগে প্রার্থী ঘোষণা করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপিও। কিন্তু বঙ্গ বিজেপি(Bengal BJP) নেতৃত্ব এবার এই উপনির্বাচন ঘিরে এক নয়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গিয়েছে। কেননা দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে, এই উপনির্বাচনে(Bye Election) দলের কোনও ভিন রাজ্যের কেন্দ্রীয় নেতা বা মন্ত্রী বাংলায় গিয়ে প্রচার(Campaign) করবেন না। তাঁরে কেউই এই উপনির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না। তা সেই উপনির্বাচনের ফল বিজেপি পক্ষে যাক কী বিপক্ষে। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে একা হাতেই এই উপনির্বাচনের প্রচার সামলাতে হবে, নির্বাচনী রণকৌশলও(Election Strategy) ঠিক করতে হবে। ভোটের ফলাফল যাই হোক না কেন, তার দায়ভার বঙ্গ বিজেপির ঘাড়েই বর্তাবে। তার সঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কোনও যোগ থাকবে না।
বঙ্গ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, পদ্মের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এ রাজ্যে দলের গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে কার্যত তিতিবিরক্ত। এমনকি তাঁরা এটাও এখন মানছেন যে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব তাঁদের সব সময় দলের হাল ও দলের প্রতি মানুষের মনোভাবের কথা ঠিক মতন জানাননি। এমনকি রাজ্যে দলের হাল নিয়ে দিল্লিতে যে সব রিপোর্ট দিয়েছেন তা কার্যত ভেজাল মনগড়া রিপোর্ট। তাই তাঁদের দাবির সঙ্গে বাস্তবের দাবি মিলছে না কোনও নির্বাচনেই। উপরন্তু বাংলার নির্বাচনের দায়িত্ব নিয়ে সেখানে প্রচারে গিয়ে পরে ভোট হারের জেরে মুখ পুড়ছে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের। আর তাই এবারের উপনির্বাচনে ভিন রাজ্যের পদ্মের কোনও কেন্দ্রীয় নেতা থেকে মন্ত্রী আসবেন না ভোট প্রচারে। উপনির্বাচনের সব কিছুই সামলাতে হবে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকেই। কার্যত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের ওপর চরম ক্ষুব্ধ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব রাজ্য নেতাদের স্পষ্টই বলে দিয়েছেন, কোনও পরিস্থিতিতেই এই মুহূর্তে উপনির্বাচনের প্রচার করতে তাঁরা আর বাংলায় যাবেন না। তবে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা উপনির্বাচনের প্রচার করবেন।