নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্য সরকারি শিক্ষকদের অবসরের বয়স কোন বৃদ্ধি পাচ্ছে না। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টকে ঘিরে চারদিকে বিভ্রান্তি ছড়াতে শুরু হয়। শনিবার রাতে কয়েকটি সমাজ মাধ্যম খবর প্রচারিত করে যে রাজ্য সরকার শিক্ষকদের অবসরের বয়স বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য। এই ধরনের বিভ্রান্তিমূলক সমাজ মাধ্যমে প্রচার না করার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু(Minister Bratya Basu)। তিনি সরকারি শিক্ষকদের অবসরের বয়স বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন রবিবার। শনিবার থেকে বিতর্কে শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দাবি করা হয় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি শিক্ষকদের প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাঁচ বছর বয়স বাড়ানো হয়েছে।
আগে বয়স ছিল অবসরে ৬০ বছর তা বাড়িয়ে ৬৫ করা হয়েছে। এই নোটিশে যে ভূত তা আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী। এরপরেও এই বিভ্রান্ত মুলক প্রচারকে কেন্দ্র করে জোর সওয়াল চলতে থাকে সমাজ মাধ্যমে। এবার এই নোটিশ অর্থাৎ বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার যে পুরোপুরি ভুয়ো সে ব্যাপারে মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী। সমাজ মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন এই ধরনের খবর পুরোপুরি অসত্য ও ভুল। সবটাই ভ্রান্তিমূলক। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু রবিবার স্পষ্ট দাবি করেছেন এই ধরনের বিজ্ঞপ্তির কোন সত্যতা নেই। যারা এই ধরনের বিজ্ঞপ্তি ভাইরাল করে বিভ্রান্ত তৈরি করছেন অনুগ্রহ করে তা করবেন না বলে রাজ্যে শিক্ষামন্ত্রী আবেদন জানিয়েছেন।
রাজ্য সরকার সরকারি শিক্ষকদের অবসরের বয়স বাড়ানোর কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি বা বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। এই ধরনের বিভ্রান্ত মুলক প্রচারে রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যে শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে শিক্ষা দপ্তর থেকে বারবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সতর্ক করে বলা হয়েছে কোন নিয়মের অদল বদল হলে বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে শুধুমাত্র শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে অথবা কোন বিজ্ঞপ্তি জারি করলে তা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হবে। কোন সমাজমাধ্যমে কোন বিজ্ঞপ্তি দেখলে তা অসত্য বলে জানতে হবে।