নিজস্ব প্রতিনিধি : ২৬শে নির্বাচনের আগে তৃণমূলের একুশের সমাবেশ। নির্বাচনের আগে দলকে উজ্জীবিত করতে এই সমাবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘাসফুল শিবিরের কাছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে নেতা-নেত্রীরা আসছেন কলকাতায়। তাদের জন্য বিশেষ বাসের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাস, ট্রেনে চেপে তারা যোগ দিতে আসছেন একুশের সমাবেশে।
বাস, ট্রেনের পাশাপাশি কর্মী সমর্থকরা নিজেদের মতো করে আয়োজনো করেছেন। ছোট ছোট টেম্পো, লরি করেও রওনা হয়েছে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। আবার কেউ কেউ সাইকেলের ২ চাকায় ভর করে আসছেন এই সমাবেশে যোগ দিতে। জানা গিয়েছে, জয়নগর থেকে ২ ভাই সাইকেল করে আসছেন ধর্মতলায়। প্রা. ৫৫ কিলোমিটার রাস্তা তাঁরা সাইকেল করেই পার হবেন। গলায় রজনীগন্ধার মালা, সাইরেলে তৃণমূলের পতাকা ও দলনেত্রীর পোস্টার নিয়েই ধর্মতলার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তাঁরা। সোমবার ধর্মতলায় বার্তা দিতে পারেন দলনেত্রী। সামনে থেকে সেই বার্তা শুনতে আসছেন ২ ভাই।
এমনভাবে অনেকেই জেলা থেকে ধর্মতলায় আসছে। সকলের লক্ষ্য ২১-র সমাবেশে কী নতুন বার্তা দেন দলনেত্রী। এই সমাবেশ তাদের কাছে আবেগের সমাবেশ। একাধিক প্রতিবন্ধকতাকে দূরে সরিয়ে রেখে তারা হাজির হন ধর্মতলার উপকেন্দ্রে। ঝড় বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে দলনেত্রীর বার্তা শোনেন তারা। এবারও তার বদল হবে না। তিন দশকের বেশি সময় আগে এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকেই মহাকরণ অভিযান হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য সচিত্র পরিচয় পত্র। সেই অভিযান ঘিরেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ধর্মতলা চত্বর। তৎকালীন পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মী। সেই সময় এই তৃণমূলের জন্ম হয়নি। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী। আজ তিনি রাজ্যএর মুখ্য়মন্ত্রী। ওই দিনটিকেই তিনি শহিদ দিবস হিসেবে পালন করছেন।