নিজস্ব প্রতিনিধি, টাকি: উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় টাকিতে পুজোর ঢাকে কাঠি পরল ।ধান্যকুড়িয়া গাইন বাড়িতে রথের দিন কাঠামো পুজো দিয়ে শুরু হল শারদীয়ার আগমনী বার্তা ।উত্তর ২৪ পরগনার ধান্যকুড়িয়ার গাইন বাড়ি (Gayn House)২৭৫ বছরে পা দিল। তার রবিবার কাঠামো পুজো দিয়ে নিয়ম তিথি মেনে শুরু করে দুর্গাপুজোর কাউন্ট ডাউন। অন্যদিকে, টাকির পুবের বাড়ি ৩০২ বছরে পা দিল । রথযাত্রার দিন ঠাকুর দালালি দেবী দুর্গার একচালা ঠাকুরের সামনে কাঠামো পুজো শুরু হল। কারণ রাজ্য এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের জন্য জাকিরপুরের বাড়ি একতলায় ঠাকুর রাখার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। আর সেই নিয়ম তিথির মধ্য দিয়ে রবিবার কাঠামো পুজো শুরু হল। পরিবারের সদস্য ও শর্মিষ্ঠা ঘোষ জানালেন প্রতি বছর রথের দিন কাঠামো পুজোর মধ্য দিয়ে মাকে আহ্বান করা হয়। এই দিন থেকে শুরু হবে প্রতিদিন সন্ধ্যা পুজো ।এখন থেকেই শুরু হল দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা।
অন্যদিকে,কংক্রিটের বাঁধের আশায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে প্রত্যন্ত সুন্দরবনের নদী পাড়ের মানুষ।নদীর ধারে বাস চিন্তা বারো মাস। উত্তর ২৪ পরগনা বসিরহাট মহাকুমার সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের(Hingalganj Block) কেতার চক এলাকায় নদীতে ধস। সেই ধ্বসের কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার মানুষ, প্রতিবছর বর্ষা আসলেই নদী ভাঙ্গনের চিন্তায় পড়েন নদী মাত্রিক এলাকার মানুষেরা। আজ কেতার চক ফেরিঘাটের পাশে প্রায় দেড়শ ফুট নদী বাঁধ ধসে বসে যাওয়ায় এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সেচ দপ্তরকে খবর দিলে তড়িঘড়ি তারা বাঁধ মেরামতের কাজে নেমে পড়েন, সেই বাঁধ মরামতের কাজ এখনো চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। পাশাপাশি এলাকার মানুষের দাবি, আমরা রাত পাহারা দিয়ে বসে থাকি বিশেষ করে বর্ষাকালে আমাদের বিভিন্ন জায়গায় নদী বাঁধ ভেঙে যায়, জলে প্লাবিত হয়ে যায় গ্রামকে গ্রাম, যার কারণে আমরা এই বর্ষাকালে ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে নদী পাড়ে গ্রামে বসবাস করি এবং খুব আতঙ্কের মধ্যে থাকি, যে কখন না নদীর বাঁধ(River Dam) ভেঙ্গে যায়। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি কংক্রিটের বাঁধ হলে খানিকটা হলেও আমরা চিন্তামুক্ত থাকতে পারবো, বিভিন্ন জায়গায় জানিও এখনো পর্যন্ত সেই ভাবে কংক্রিটের কাজ শুরু হয়নি।
আবার বেশ কিছু কিছু জায়গায় কংক্রিটের বাঁধ হয়ে গেছে। কিন্তু হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের মধ্যে বেশিরভাগ জায়গায় মাটির নড়বড়ে বাঁধ হওয়ায় আতঙ্কে এলাকার মানুষ। কবে হবে কংক্রিটের বাঁধ সেই আশায় দিন গুনছে প্রত্যন্ত সুন্দরবনের মানুষ। সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আমাদের প্রপোজাল দেওয়া আছে যত দ্রুত সম্ভব আমরা নদী বাঁধ যাতে কংক্রিটের হয় তার সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি যখনই যে মুহূর্তে খবর পাচ্ছি কোন দুর্ঘটনা নদী বাঁধ ভাঙ্গনের সেই মুহূর্তে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ছি নদী বাঁধ সংস্কারের জন্য। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তিনি বলেন নদী বাঁধের ধসের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি আমরা ইডিকেশন দপ্তরকে জানিয়ে দিই, ইতিমধ্যে সেই কাজ শুরু হয়ে গেছে। পাশাপাশি কংক্রিট বাঁধের জন্য আমাদের প্রপোজাল দেওয়া আছে এখন দেখার বিষয়, কবে সেই নদী বাঁধ টেন্ডার হবে এবং তার কাজ শুরু হবে সেই দিকে তাকিয়ে আছি। তবে যতদূর সম্ভব খুব তাড়াতাড়ি এই কংক্রিটের বাঁধ এর কাজ শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।