Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

সাদ্দাম কাণ্ডে মুখ পুড়ল বামেদের, স্বস্তিতে তৃণমূল

প্রাক একুশ আবহে এখন অনেকটাই স্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সাদ্দাম কাণ্ডে এখন মুখ লুকিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে বাম নেতাদের।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: নিশানা করা হয়েছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে(TMC)। আর সেই নিশানা করেছিল বামেরা(CPIM)। আর এখন সেই বামেদেরই মুখ পুড়ে গিয়েছে, স্বস্তি নেমেছে তৃণমূলের অন্দরে। কেননা বুধবার রাতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা(South 24 Pargana) জেলার ক্যানিং মহকুমার(Canning Subdivision) কুলতলি(Kultali) ব্লকের জালাবেড়িয়া-২ পঞ্চায়েতের পয়তারহাটের বাসিন্দা তথা সোনা পাচারকারী চক্রের মাথা সাদ্দাম সর্দার(Saddam Sardar Arrested)। তার সঙ্গেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে কুলতলির সিপিএম নেতা মান্নান খান(Mannan Khan)। মান্নানের মাছের ভেড়ি থেকেই গ্রেফতার হয়েছে সাদ্দাম। আর তাই সোনা পাচার চক্রের সঙ্গে বামেদের যোগসাজশ এখন দিনের আলোর মতো সামনে চলে এল। খোদ সিপিএম নেতা জড়িত সোনা পাচার চক্রে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রাক একুশ আবহে এখন অনেকটাই স্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সাদ্দাম কাণ্ডে এখন মুখ লুকিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে বাম নেতাদের।

গতকাল রাতে কুলতলির ঝুপড়িঝাড়ার বানীরধল এলাকার একটি মাছের ভেড়ি থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে সাদ্দামকে। এদিনই সাদ্দামকে আদালতে তুলছে পুলিশ। গত সোমবার পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গিয়ে সিপিএম নেতা মান্নানের মাছের ভেড়িতে আশ্রয় নেয় সাদ্দাম। সেই ভেড়ির আলা ঘরে থেকেই গ্রেফতার করা হয় তাকে। গ্রেফতার করা হয় মান্নানকেও। কুলতলি থানার পুলিশ বিশাল বাহিনী নিয়ে বুধবার রাতে মাছের ভেড়ি ঘিরে আলা ঘর থেকে গ্রেফতার করে ২জনকে। এই নিয়ে কুলতলির সোনা পাচার চক্রের ঘটনায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪। তবে সাদ্দামের ভাই সাইরুল এখনও অধরা। সাদ্দমের বিরুদ্ধে অনেক দিন ধরেই সোনা পাচার আর সোনা প্রতারণার অভিযোগ আছে। এর আগেও এ রকম একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ১ বার গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।    

গত সোমবার সাদ্দামের পয়তারহাটের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। সাদ্দামকে ধরেও ফেলেন তাঁরা। এর পরেই বাড়ি এবং আশেপাশের মহিলারা পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। সাদ্দামের ভাই সাইরুল পুলিশকে নিশানা করে গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। এই সুযোগে পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যায় সাদ্দাম আর সাইরুল। সাদ্দামের স্ত্রী রাবেয়া সর্দার এবং মাসুদা সর্দার নামে আরও এর মহিলাকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশেরা ওপর হামলার অভিযোগে সেদিনই গ্রেফতার করা হয়। এর পরেই সাদ্দামের খোঁজে এলাকায় শুরু হয় তল্লাশি। সেই সময় তাঁর শোয়ার ঘরের নীচে একটি সুড়ঙ্গ আবিষ্কার করে পুলিশ। সেটি বাইরে একটি খালের সঙ্গে যুক্ত। কিছু দূর এগিয়েই এই খাল গিয়ে মিশেছে মাতলা নদীতে। ফলে কোনও রকম বেগতিক বুঝলে প্রতারণার কারবারে অভিযুক্তদের পক্ষে এই সুড়ঙ্গপথে পালানো অনেকটাই সহজ। সুড়ঙ্গ থেকে এক বার খালে নেমে এলেই, ডিঙি নৌকায় চেপে সবার অলক্ষে মাতলা নদী হয়ে পালিয়ে যাওয়া যেতে পারে। ওই রাস্তা দিয়েই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়েছিল সাদ্দাম। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। বুধবার রাতেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ল কুলতলি প্রতারণা চক্রের মূল পাণ্ডা।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00