নিজস্ব প্রতিনিধি, তেহট্ট : তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। তেহট্টের প্রয়াত বিধায়ক তাপস সাহার স্মৃতির উদ্দেশ্যে স্মরণসভার আয়োজন করেছিল পাথরঘাটা ১ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সভাতেই নব্য তৃণমূল ও আদি তৃণমূলের বাদানুবাদ রীতিমত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। অশান্তির জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ২ পক্ষের মারামারিতে আহত হন প্রায় ১৫ জন। তাঁদের উদ্ধার করে তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কয়েকজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাদের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিধায়ক তাপস সাহার স্মৃতিতে স্মরণসভায় আয়োজন করা হয়েছিল। দলীয় আলোচনা হওয়ার কথা ছিল এদিন। এদিন সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্লক সভাপতি সহ ব্লক ও অঞ্চলের অসংখ্য নেতাকর্মী। সেখানেই প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সাহাবুদ্দিন মন্ডল বক্তব্য রাখার সময় অশান্তি শুরু হয়। তিনি অঞ্চল সভাপতি নাজিম সেখের অনুগামী বলে পরিচিত। অশান্তি এক সময় পৌঁছে যায় হাতাহাতিতে।
অভিযোগ, এই অঞ্চল সভাপতির অনুগামী তৃনমূল কর্মী হলেও ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসের হয়ে ভোট করেছিলেন বলে অভিযোগ। তারপরে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে যোগ না দিলেও ২০২৩-এর নির্বাচনে আবারও তাকে টিকিট দেয় দল। দলে যোগ না দিয়ে কিভাবে টিকিট পেল তখন থেকেই দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে। মঙ্গলবার ওই শাহাবুদ্দিন মন্ডল মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময় তার বক্তব্যের শুনে শুরু হয় অশান্তি। এক পক্ষ অন্যপক্ষকে ইট ছুঁড়ে মারে বলে অভিযোগ। একে অপরের ছোড়া ইটের আঘাতে আহত হয় ২ পক্ষের প্রায় ১৫ জন। তবে এই ঘটনায় শুধু বক্তব্য রাখাকে কেন্দ্র ছাড়াও পুরনো রাজনৈতিক বিবাদের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে মত অনেকের।