নিজস্ব প্রতিনিধি,আরামবাগ: শনিবার কালবৈশাখীর ঝড়ে প্রাণ গেল এক বৃদ্ধার। হুগলি জেলার আরামবাগের(Arambag) হরিণখোলার ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নবাসন গ্রামে বাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু হয় কমলা ছাতিমের(৮১)। আহত হয়েছেন তার দুই ছেলে অমিত ও তোতা ছাতিম। তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে শনিবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখীর যে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় তা ভয়ংকর রূপ নেয় আরামবাগ এলাকায়। একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রচুর গাছ পড়ে যায়। যখন এই ঝড় চলছিল সে সময় ঘরেই ছিলেন কমলা ছাতিম(Kamala Chatim)। ঘরের অবস্থা ভালো না।
ঝড়ে পরিস্থিতি খারাপ দেখে বৃদ্ধা মাকে ঘর থেকে বের করতে যান দুই ছেলে। সেই সময় ঘরটি হুট মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। তাতে মা ও দুই ছেলে গুরুতর ভাবে জখম হন। ঝড় থামার পর তাদের আর্তনাদ শুনতে পেয়ে স্থানীয় মানুষজন তিনজনকে উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে(Arambag Hospital) নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা কমলা দেবীকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ওই বৃদ্ধার ছেলে অচিন ছাতিম এর অবস্থা আশঙ্কা যেন খাওয়ায় তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে(Bardhaman Hospital) ভর্তি করা হয়েছে। অপর ছেলে তোতা ছাতিমের চিকিৎসা আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চলছে।
হাসপাতালে আহতকে দেখতে জান হরিণ খোলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পার্থ হাজারি(Pradhan Partha Hazari)। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের থেকে কেন এই পরিবার বঞ্চিত ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এই দুর্ঘটনার পর। শুধু আরামবাগ নয়, একাধিক জেলায় শনিবার কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। কোথাও গাছ পড়ে গিয়েছে। কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে। কোথাও এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। কোথাও গবাদি পশু আক্রান্ত হয়েছে।