নিজস্ব প্রতিনিধি : ডুরান্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে তিনবছর আগে তৈরি হওয়া ডায়মন্ড হারবার এফসি। সেমিফাইনালে লাল হলুদ শিবির অর্থাৎ ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে তারা। শনিবার কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে গতবারের চ্যাম্পিয়নের সঙ্গে খেলতে নামবে ডায়মন্ড হারবার এফসি। কিন্তু কোনোভাবেই আত্মবিশ্বাস হারাতে রাজি নয় ডায়মন্ড হারবারের কোচ কিবু বিকুনা। তিনি মনে করেন, ফুটবলে সবকিছুই সম্ভব।
সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেছেন, ফাইনালে তার ছেলেরা ১০০% ই খেলবে। মহামেডান, জামশেদপুর ও ইস্টবেঙ্গল এর মত দলকে হারানো সহজ ছিল না। কিন্তু দলের পারফরম্যান্স সেটি সম্ভব করে দেখিয়েছে। ফাইনাল শুরুর আগেই একবার নজর ভরিয়ে দেখে নিন কোন প্লেয়ার নজর কেড়েছেন।
কলকাতা থেকে পরিচিতি পেয়েছেন জবি জাস্টিন। ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে ভাল খেলেছিলেন তিনি। ডায়মন্ড হারবার এফসির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন নতুন করে। ডায়মন্ড হারবারের হয়ে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিলেন তিনি। স্প্যানিস ডিফেন্ডার মিকেল কোর্তাজা সাইলেন্ট পারফর্মার হিসেবে পরিচিত। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে তার বাইসাইকেল কিক আলোড়ন ফেলেছিল। তাই ফাইনালে তার ওপর বাড়তি নজর রাখতেই হবে। গোলকিপিং করছেন মিরশাদ মিচুর। ইস্টবেঙ্গলে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। শেষ খেলেছিলেন নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির হয়ে। তার ডিফেন্স সব সময় আলোচনার শেষে থাকে। গোলের সামনে তাকে টপকানো অত্যন্ত কঠিন একটা পরিস্থিতি। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে একাধিক নিশ্চিত গোল রক্ষা করেছেন তিনি।
দলের আক্রমণাত্মক অন্যতম অভিজ্ঞ প্লেয়ার লুকা মায়সেন। ডুরান্ড ও ISL -এ তার গোল করিম রেকর্ড হয়েছে।
সবার শেষে নজর রাখতে হবে কোচ কিবু বিকুনার দিকে। একজন ভালো কোচ একটি ভালো দল তৈরি করতে পারে। শূন্য থেকে শুরু করা ডায়মন্ড হারবারকে সাফল্য এনে দিয়েছেন এই কিবু। ডায়মন্ড হারবারকে নিজের হাতে তৈরি করছেন ও সাফল্য এনে দিচ্ছেন।