নিজস্ব প্রতিনিধি, আমদাবাদ: হারলেই বিদায় এমন সমীকরণ নিয়ে খেলতে নেমে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সূর্যকুমার যাদব ও তিলক ভার্মার ঝোড়ো ইনিংসের দৌলতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান তুলল পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নরা। পঞ্জাবের হয়ে আজমাতুল্লাহ ওমরজাই চার ওভারে ৪৩ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন।
রবিবার (১ জুন) নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ দেরিতে শুরু হয়। টসে জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। এলিমিনেটরে গুজরাতের বিরুদ্ধে অসাধারণ ইনিংস খেলা রোহিত শর্মা এদিন ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠার আগেই মার্কাস স্টোইনিসের বলে আউট হন। তিনি করেন ৭ বলে ৮ রান। দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে সেই ধাক্কা সামাল দেন জনি বেয়ারস্টো ও তিলক ভার্মা। পঞ্জাবের বোলারদের আক্রমণকে নির্বিষ করে দুজনে যোগ করেন ৫১ রান। সপ্তম ওভারে বেয়ারস্টোকে (৩৮) ফেরান বিজয় কুমার। তৃতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে দলকে ১০০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দলকে শক্ত ভিতের উপরে দাঁড় করিয়ে দেন তিলক ভার্মা ও সূর্যকুমার যাদব। ১৪তম ওভারে সূর্যকে (৪৪) ফেরান যুজবেন্দ্র চহাল। পরের ওভারে সেট হওয়া তিলককে (৪৪) সাজঘরে ফেরান কাইল জেমিসন। দুই বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে খানিকটা ব্যাকফুটে চলে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
এর পর অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য ও নমন ধীর দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেন। যদিও রান ওঠার গতি খানিক শ্লথ হয়ে যায়। ১৮তম ওভারে হার্দিককে (১৫) ফিরিয়ে মুম্বইয়ের রানের পাহাড় গড়ার স্বপ্নে জোর ধাক্কা দেন আজমাতুল্লাহ ওমরজাই। শেষের দিকে রাজ অঙ্গদ বাওয়াকে নিয়ে দলকে ২০০ রানের গণ্ডি পার করানোর চেষ্টা চালান নমন ধীর। যদিও সফল হননি তিনি। শেষ ওভারে বল করতে এসে নমনের তাণ্ডব থামান ওমরজাই। ১৭ বলে ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ফিরে যান নমন। শেষ পর্যন্ত ২০৩ রানে থেমে যায় মুম্বই। বাওয়া ৮ এবং মিচেল স্যান্টনার শূন্য রানে অপরাজিত থেকে যান।