নিজস্ব প্রতিনিধি, আমদাবাদ: সাই সুদর্শনের চওড়া ব্যাটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে স্বস্তিদায়ক স্কোর গড়ল গুজরাত টাইটান্স। শনিবার (২৯ মার্চ) রাতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান তুলেছে শুভমন গিলের দল। মুম্বইয়ের পক্ষে সফলতম বোলার হার্দিক পাণ্ড্য। চার ওভারে ২৯ রান দিয়ে তিনি দুটি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন।
আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে প্রথমে গুজরাতকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই তাণ্ডব শুরু করে দেন গুজরাতের দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও শুভমন গিল। মুম্বইয়ের বোলারদের আক্রমণকে নির্বিষ করে দিয়ে রান মেশিন সচল রাখেন। প্রথম পাওয়ার প্লেতে (অর্থাৎ প্রথম ছয় ওভারে) কোনও উইকেট না হারিয়ে বিনা উইকেটে ৬৬ রান তোলে গুজরাত। ট্রেন্ট বোল্ট, দীপক চহাররা যা করতে পারেননি বল করতে এসে তাই করতে সফল হন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য। নবম ওভারে গুজরাত অধিনায়ক শুভমনকে (৩৮) ফিরিয়ে ৭৮ রানের জুটি ভাঙেন। অধিনায়ক ফিরে যাওয়ার পরে সাই সুদর্শনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন জস বাটলার। দুজনে মাথা ঠাণ্ডা করে খেলে মুম্বইয়ের বোলারদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেন। ৩০ বলেই অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন দুজনে। আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকা জস বাটলারকে (২৪ বলে ৩৯) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মুজিবুর রহমান।
একা কুম্ভ হয়ে লড়াই চালানো সাই সুদর্শন ৩৩ বলেই নিজের অর্ধশতরান তুলে নেন। আর অর্ধশতরানের পথে তিনি চারটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা শাহরুখ খান বেশিক্ষণ টিঁকতে পারেননি। হার্দিকের বলে তিলক ভার্মার হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। আউটের আগে করে যান ৬ বলে ৯ রান। শেরফানে রাদারফর্ডকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন সাই সুদর্শন। মনে হচ্ছিল অনায়াসে ২০০ রানের গণ্ডি পার করবে গুজরাত। কিন্তু আচমকাই ম্যাচের রং বদলে গেল। ১৮তম ওভারের শেষ বলে সাইকে (৬৩) ফেরান ট্রেন্ট বোল্ট। পরের ওভারে দীপক চহারের প্রথম বলেই রান আউট হয়ে ফিরে যান রাহুল তেওতিয়া (০)। পরের বলে ফেরেন শেরফানে রাদারফোর্ড (১১ বলে ১৮)। তিন বলে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাত। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে ফিরে যান রশিদ খান (৬)। শেষ বলে রান আউট হয়ে যায় সাই কিশোর (১)। ৫ বল খেলে ৭ রান করে অপরাজিত থাকেন কাগিসো রাবাডা।