নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতের কাছে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে হেরে যাবার পর তুমুলভাবে সমালোচিত হচ্ছেন শান্ত। অধিনায়ক হিসেবে তার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে ব্যাটার হিসেবে রান করতে না পারা নিয়েও। যার প্রেক্ষিতে অধিনায়কত্ব ছাড়তে চান তিনি। চলমান সিরিজ শেষে অধিনায়কত্ব ছাড়বেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এরই মধ্যে বিসিবিকে মৌখিকভাবে অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। ফলে টাইগারদের পরবর্তী অধিনায়ক কে হচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে তুঙ্গে।
স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশে টাইগারদের পরবর্তী অধিনায়ক হওয়ার দৌড় শুরু হয়েছে। এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকেই নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতাও আছে বলে মনে করছে বিসিবি। এক সময় তাকেই জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ অধিনায়ক মনে করা হত। তবে মিরাজের পক্ষে আছে বিসিবি।
বৃহস্পতিবার(৩১ অক্টোবর)চট্টগ্রামে বিসিবির সভাপতি ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, ‘অবশ্য মিরাজ ইজ ওয়ান, কেন সেটা জানেন। সে তিন ফরম্যাটে খেলছে। দুইটা ফরম্যাট তো কনফার্ম খেলে। সে অনূর্ধ্ব ১৯ দলেরও অধিনায়ক ছিল।’ তবে আগে থেকেই বিসিবি জানিয়েছিল যে অধিনায়ক ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে শান্তর সঙ্গে আলোচনায় বসবে। সেইমত অধিনায়ক নির্বাচনের আগে শান্তর সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবে বিসিবি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর অধীনেই আগামী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার কথা ছিল টাইগারদের। তবে এর আগেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাড়াচ্ছেন শান্ত। জানা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে চলমান সিরিজের পরই অধিনায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন তিনি।