নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি পদে জামায়াত ইসলামী নেতা তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বসাল তদারকি সরকার। পাশাপাশি সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছেন পাকিস্তানপন্থী হিসাবে পরিচিত নাজমুল আবেদীন ফাহিম এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ফাহিম সিনহা। আজ শুক্রবার (৩০ মে) তদারকি সরকারের নির্দেশে লোক দেখানো পরিচালকদের বৈঠকে সভাপতি হিসাবে বেছে নেওয়া হয় বুলবুলকে।
গত বছরের ৫ অগস্ট রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচিত পরিচচালন সমিতি ভেঙে পোষ্যভৃত্যদের বসাতে শুরু করে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের পোষ্যভৃত্য মোল্লা মুহাম্মদ ইউনূসের তদারকি সরকার। সেই প্রক্রিয়াতে গত ২১ অগস্ট আওয়ামী লীগ সাংসদ নাজমুল হাসান পাপনকে সরিয়ে বিসিবির সভাপতি পদে বসানো হয় প্রাক্তন ক্রিকেটার ফারুক আমেদকে। কিন্তু লিটন দাসকে টি টোয়েন্টি ফরম্যাটে অধিনায়ক হিসাবে দায়িত্ব দিয়ে হিন্দু বিদ্বেষী ইউনূস সরকারের রোষানলে পড়ে যান তিনি। গত বুধবারই তাঁকে সভাপতির পদে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দেন পাকিস্তানি চর তথা ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। যদিও সেই নির্দেশ মানেননি ফারুক।
এর পর সরকারের নির্দেশে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রককে চিঠি পাঠান সংস্থার আট পরিচালক। তার পরেই ফারুকের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এর ফলেই ক্ষমতায় বসার ৯ মাসের মধ্যে বিসিবি সভাপতির পদ হারাতে হয় ফারুককে। তাঁর জায়গায় বেছে নেওয়া হয় জামায়াত ইসলামী নেতা তথা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যর্থতম ক্রিকেটার হিসাবে পরিচিত আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে। যিনি দেশের হয়ে মাত্র ১৩টি টেস্ট খেলে ৫৩০ রান করেছেন। ব্যাটিং গড় ২১.২০। ৩৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে করেছেন ৭৯৪ রান। জঘন্য পারফরম্যান্সের কারণে তাকে দল থেকে গলাধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়েছিলেন নির্বাচকরা।