কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল শালগ্রাম শিলা? জানুন অজানা কাহিনি

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায় : দেবাদিদেব মহাদেবের স্বরূপ যেমন শিবলিঙ্গ, ঠিক তেমনই শালগ্রাম বা শালিগ্রাম শিলা (Shaligrama Shila) হল জগৎপালক শ্রী বিষ্ণুর প্রতিরূপ। এই বিশেষ ধরনের কালো পাথর বিষ্ণুর প্রতীক হিসাবে পূজিত হয়। শালগ্রাম শিলা মূলত পাওয়া যায় নেপালের পশ্চিমাংশে, হিমালয় পর্বতের প্রায় ১২,৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত গণ্ডকী নদী বা কালী-গণ্ডকী নদী থেকে। এই অঞ্চলকে বলা হয় মুক্তিনাথ ক্ষেত্র বা নারায়ণের মুক্তি-তীর্থ। এই স্থান অত্যন্ত পবিত্র বলে বিবেচিত, কারণ এখানেই প্রকৃত শালগ্রাম শিলা পাওয়া যায়। বিশ্বে অন্য কোনও স্থানে প্রকৃত শালগ্রাম শিলা পাওয়া যায় না। এই শিলাকে স্বয়ম্ভূ বলে মনে করা হয়। অর্থাৎ এগুলোর প্রতিষ্ঠার জন্য মন্দির বা মূর্তি নির্মাণের প্রয়োজন হয় না। শালগ্রাম শিলার উপর সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে তৈরি বিভিন্ন চিহ্ন বা চক্র (শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম ইত্যাদি) থাকে, যা ভগবান বিষ্ণুর বিভিন্ন রূপের প্রতীক বলে বিবেচিত হয়।

ভৌগোলিক পাতসংস্থান তত্ত্ব (Plate Techtonic theory) ও মহাদেশীয় সংস্থান তত্ত্ব (Continental Drift Theory) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে জানা যায়  , আজকের হিমালয় পর্বতমালা একসময়ে ছিল টেথিস সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত। আজ থেকে প্রায় তিন কোটি বছর আগে সেনোজয়িক কালে ইয়োসিন যুগের শেষ ভাগে ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট ইউরেশীয় প্লেটের সাথে সংঘর্ষের ফলে টেথিস সমুদ্র থেকে হিমালয় আস্তে আস্তে মাথা তুলতে শুরু করে আর তা শেষ হয় প্লাইস্টোসিন উপ-যুগে, যা প্রায় এক কোটি বছর আগের কথা। ফলে, এক মহা অতীত কালের সামুদ্রিক পলি এবং প্রস্তরের স্তর আজকের হিমালয়ের শিলাস্তরে রূপান্তরিত হয়েছে। হিমালয়ের এই শিলাস্তরকে বলা হয় “স্পিতি” শেল। খুব সুক্ষ্ম দানা পলি অবক্ষেপ (সেডিমেন্টেশন) থেকে তৈরি হয়েছে বলে, বিজারক পরিবেশে সৃষ্ট এই শেল এত তৈলাক্ত ও কুঁচকুঁচে কালো। আজ থেকে আঠেরো কোটি বছর আগে, জুরাসিক যুগে — যে সময়ে ডাঙ্গায় ডাইনোসরেরা রাজত্ব করছে – সেই সময়ে এই পলি অবক্ষেপ ঘটেছিল। তার বহু বহু কোটি বছর পরে সমুদ্রগর্ভ থেকে জন্ম নিল হিমালয়। এর ফলে, আজকের হিমালয়ের চিরতুষারাবৃত স্পিতি শেল শিলাস্তরে পাওয়া যায় জুরাসিক যুগের সামুদ্রিক জীবের প্রস্তরীভূত জীবাশ্ম। কালী-গণ্ডকীর উৎপত্তিও সেই চিরতুষারাবৃত অঞ্চলেই।

তবে জলের তীব্র স্রোতে ওই শিলাস্তরের ক্রমাগত ক্ষয় হচ্ছে। ধুয়ে মুছে ভেঙে নিয়ে আসছে বলে কালীগণ্ডকীর জলের রঙ এত স্বচ্ছ অথচ কালো। তাই তার নাম কালী-গণ্ডকী। আর ওই শিলাস্তরের খাঁজে লুকিয়ে থাকা জুরাসিক যুগের অজস্র প্রস্তরীভূত সামুদ্রিক জীবাশ্ম জলের স্রোতে চলে আসছে। এই অজস্র শিলাভূত জীবাশ্মর মধ্যে একমাত্র “অ্যামনোয়ডিয়া (Ammonoidea) গোষ্ঠীর শিলাভূত জীবাশ্মই” হল হিন্দুদের পরম পবিত্র শালগ্রাম শিলা বা নারায়ণ শিলা।

শালগ্রাম শিলার উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য

  • শালগ্রাম শিলা মূলত অ্যামোনাইট (Ammonite) নামক সামুদ্রিক জীবের জীবাশ্ম।
  • এই জীবাশ্মগুলো জুরাসিক যুগের (১৮-১৫ কোটি বছর পূর্বে) সামুদ্রিক প্রাণী “অ্যামোনয়ডিয়া” গোষ্ঠীর অংশ।
  • গণ্ডকী নদীর স্রোতে শিলাস্তরের ক্ষয় হওয়ার ফলে এই জীবাশ্মগুলো পাথরের আকৃতি নিয়ে নদীর মাধ্যমে সমতলে নেমে আসে।
  • এই জীবাশ্মগুলির গায়ে শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম ইত্যাদি চিহ্ন দেখা যায়, যা হিন্দু ধর্মে বিষ্ণুর প্রতীক বলে ধরা হয়।
  • শালগ্রাম শিলা সাধারণত তৈলাক্ত, কালো, ও শক্ত পাথরের মতো হয় এবং এদের গায়ে থাকে স্বাভাবিকভাবে গঠিত চক্রচিহ্ন।

 

এমন শুনে আমাদের রীতিমতো অবাক লাগতে পারে, যে, কোথায় শ্রী নারায়ণ আর আমরা কিনা শামুকের জীবাশ্মকে নারায়ণ জ্ঞানে পূজো করি? এও কি সম্ভব? কোথায় পরম পবিত্র শ্রী হরি আর কোথায় ফসিল? একেবারেই এমনটা না। আমাদের প্রাচীন শাস্ত্রকার ঋষিরা এতটা অর্বাচীন ছিলেন না। তাদের শিলাচর্চা বা জীবাশ্ম সম্পর্কে জ্ঞান বিন্দুমাত্র কম ছিলনা। বরং সেকালের ঋষিদের বিজ্ঞান চর্চা বর্তমান বিজ্ঞান যুগের বিজ্ঞান মনোভাবসম্পন্ন মানুষদের থেকে অনেকাংশে বেশি ছিল। সেকালের শাস্ত্রজ্ঞ শিলা বিজ্ঞানীরা জানতেন যে, শালগ্রাম শিলা মূলত  — ‘বজ্রকীট’ , যা এক ধরণের শামুক জাতীয় প্রাণী। শামুক বা mollusca জাতীয় প্রাণীর বহিঃকঙ্কাল বা exoskeleton-কে ঋষিরা বজ্রকীট বলেছেন। তাদের বহিঃকঙ্কাল বজ্রসম কঠিন বলেই নাম বজ্রকীট। পুরো বিজ্ঞানটাই জানতেন ঋষিরা। এই শিলা হল এদেরই দেহাবশেষের প্রস্তরীভূত রূপ। অর্থাৎ, এদের ফসিলই হলো আসলে শালগ্রাম শিলা। ব্রহ্মপুরাণের প্রকৃতিখণ্ডে নারায়ণ বলেছিলেন :

“অহঞ্চ শৈলরূপী চ গণ্ডকীতীর সন্নিধৌ। অধিষ্ঠানং করিষ্যামি ভারতে তব শাপতঃ।। বজ্রকীটাশ্চ কৃময়ো বজ্রদংষ্ট্রাশ্চ তত্র বৈ। মচ্ছিলাকুহরে চক্রং করিষ্যন্তি মদীয়কম।।

 …গণ্ডক্যাশ্চোত্তরে তীরে গিরিরাজস্য দক্ষিণে……

এর থেকে অতি সহজেই বোঝা যায়, পবিত্র এই শিলার সৃষ্টিরহস্যের ব্যাখ্যায় বিজ্ঞান আর পুরাণ আশ্চর্য ভাবে মিলে যায়। পুরাণের কাহিনী প্রাঞ্জল রূপ নেয় বিজ্ঞানের অনুসন্ধানে। আর তারই  সাথে মিশে থাকে এক নদীর উপাখ্যান। কারণ কেবলমাত্র এই নদীতেই মেলে স্বয়ং নারায়ণ রূপে কল্পিত এই শিলা। জানা যায়, ১৮৫০ সালে জার্মান দুই প্যালিওন্টোলজিস্ট ফ্রেডরিক কুইন্সটেড এবং আলবার্ট ওপেল ammonite ফসিলের সন্ধান পান। মুলত ভারত, নেপালের হিমালয়ান বেল্টে এবং মাদাগাস্কারসহ অন্য কিছু অঞ্চলে। তবে নেপালের গণ্ডকী নদীতে প্রাপ্ত ammonite fossil গুলিই শালগ্রামশিলা রূপে মান্যতা পায়। তাঁদের সুদীর্ঘ গবেষণায় যে মূল্যবান তথ্যগুলি উঠে আসে তা হল-

শালগ্রামশিলার ভেতরে সত্যিই বাস করত এক সামুদ্রিক কীট যা মূলত Ammonoidea নামক মোলাস্কা পর্বের একটি প্রাণী। যার প্রস্তরীভূত ফসিল বা জীবাশ্মই শালগ্রামশিলা বা বিজ্ঞানীমহলে  ammonite  রূপে পরিচিত । যেটির নিকট আত্মীয় বর্তমানের শামুক, ঝিনুক, অক্টোপাস বা ক্যাটলফিস (nautilus) । এদের  বিচরণ কাল ছিল ২০১ মিলিয়ন বছর আগের জুরাসিক পিরিয়ড থেকে শুরু করে ৬৬ মিলিয়ন বছর আগের ক্রেটাসিয়াস পিরিয়ড অবধি। অর্থাৎ, এগুলো ছিল ডাইনোসরদের সমসাময়িক। বিলুপ্তির সময়টাও প্রায় একই।

শালগ্রাম শিলা সৃষ্টি

প্যালিওন্টোলজি অনুযায়ী টেথিস মহাসাগরের গর্ভেই বাস ছিল এই প্রাণীর। এই টেথিস সাগরের সমুদ্রতল যখন উত্থিত হয়ে সুবিশাল ভঙ্গিল হিমালয় পর্বতশ্রেণীর সৃষ্টি করে, তখন সমুদ্রে থাকা বহু জীবের দেহ সমুদ্র গর্ভের পাললিক শিলার চাপেতাপে প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত হয়ে পরিণত হয় জীবাশ্মে। এভাবেই প্রস্তুত হয়েছিল ammonite প্রস্তর বা শালগ্রামশিলা।

পৌরাণিক উপাখ্যান

এই শালগ্রাম শিলাকে ঘিরে অনবদ্য প্রাচীন কাহিনির উল্লেখ রয়েছে মহাভারতে এবং সুবিশাল স্কন্দ-পুরাণে। ভারতীয় সনাতন ধর্মে আঠেরোটি পুরাণের মধ্যে স্কন্দ বা কার্তিকেয় লিখিত সুবৃহৎ স্কন্দ-পুরাণ অনুযায়ী কালনেমি অসুরের কন্যা বৃন্দার সাথে জলন্ধর নামক এক অতীব শক্তিশালী অসুরের বিয়ে হয়। এই জলন্ধরের সৃষ্টি হয়েছিল স্বয়ং শিবের তৃতীয় নেত্রের তেজ থেকে। জলন্ধরের অহঙ্কার ছিল স্ত্রী বৃন্দার সতীত্বের হেতু প্রাপ্ত অমরত্বের রক্ষাকবচ। কথিত আছে, বৃন্দা ছিলেন পরম বিষ্ণুভক্ত। দেবতারা কোনও ভাবেই জলন্ধরকে পরাজিত করতে পারছিলেন না এবং মহাশক্তিশালী জলন্ধর স্বর্গলোক অধিকার করে বসেছিলেন। অতঃপর দেবতারা নারায়ণের শরণাপন্ন হলে তিনি জলন্ধরের রূপ ধারণ করে বৃন্দার সতীত্ব নষ্ট করেন। ফলস্বরূপ, জলন্ধরের শক্তি হ্রাস হয়েছিল।

বৃন্দা শ্রী নারায়ণের চাতুরী ধরে ফেলার পর শোকে-ক্ষোভে উন্মাদ হয়ে তাঁর প্রভুকে অভিশাপ দিলেন-তিনি যেন শিলা হয়ে জন্মান আর তার এই কর্মফল যেন বজ্রকীট হয়ে তাঁকে নিয়ত দংশন করে। ভক্তের অভিশাপ মাথা পেতে নিয়েছিলেন শ্রী নারায়ণ। জলন্ধরের স্ত্রী  বৃন্দাকে নারায়ণ বর দিলেন তাঁর দেহভস্ম থেকে জন্ম নেবে তুলসীগাছ এবং কেবলমাত্র তুলসী পাতা দিয়েই পূজিত হবেন শিলা রূপী শ্রী হরি। এভাবেই ভক্তের সঙ্গে তিনি অচ্ছেদ্য হয়ে জুড়ে থাকবেন জন্ম জন্মান্তর। তাই, তুলসী ছাড়া শালগ্রাম শিলার পূজা অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়।

তবে গণ্ডকী নদীর সাথে এর সম্পর্ক কী ? এত নদী থাকতে গণ্ডকীই কেন ? আসলে তার ভুমিকাও পূর্বনির্ধারিত। পুরাণ অনুযায়ী গণ্ডকী ছিলেন এক দেহপসারিনীর কন্যা। সমাজের নিয়ম মতো তাকেও ওই একই পেশা বেছে নিতে হয়েছিল। তবে তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন তার পরম স্বামী নিশ্চয় একদিন আসবে। একদিন তার কাছে এক অপুর্ব পুরুষ আসেন যাকে তিনি মনে মনে স্বামী রূপে স্থান দেন,তার সারাদেহ কুষ্ঠ রোগ দেখেও তিনি তাঁকে সেবা করতে রাজি হলেন কিন্তু বিবাহের পূর্বেই সেই পুরুষ মারা গেলেন। আর তখন গণ্ডকী তাঁর সাথে সহমৃতা হতে গিয়ে দেখলেন সেই অনিন্দ্য সুন্দর পুরুষ সোনায় রূপান্তরিত হলেন, যিনি স্বয়ং ভগবান নারায়ণ।

তিনি গণ্ডকীর ভালবাসা ও ভক্তিতে অত্যন্ত তুষ্ট হয়ে তাকে বর দিলেন, তিনি নদীতে পরিণত হবেন ও সেই নদীবক্ষেই শ্রী নারায়ণ শালগ্রাম শিলা রূপে চির অবস্থান করবেন।

 

শালগ্রাম শিলার গঠন ও আকৃতি

  • শালগ্রাম শিলা ছোট আমলকির মতো থেকে শুরু করে বড় বেলের মতো আকারের হতে পারে।
  • শালগ্রাম যেন ভগ্ন, ফাটা বা কর্কশ না হয়।
  • শুধুমাত্র সুন্দর, মসৃণ ও নিটোল শালগ্রাম শিলাই পূজ্য।

উল্লেখ্য, শালগ্রাম শিলায় যে জীবাশ্ম থাকে, সেটাই হল শালগ্রাম শিলার চক্র চিহ্ন। মনে রাখতে হবে, চিহ্নহীন শালগ্রাম শিলা পূজ্য নয়। চক্র শিলার গায়ে থাকতে পারে আবার ভিতরেও থাকতে পারে। যদি ভিতরে থাকে তবে শিলার গায়ে কোন ছিদ্র বা উন্মুক্ত যায়গা থাকবে যেখান দিয়ে ভিতরের চক্র অর্থাৎ বজ্র কীট বা ফসিলটি দেখা যায়। তবেই সেই শিলা পূজ্য।

বৈজ্ঞানিক যুক্তি ও জনশ্রুতি মতে চক্র এক বা একাধিক হতে পারে। চক্র সংখ্যা অনুযায়ী শিলার নামকরণ হয়। এক চক্র শিলা প্রায় উনিশ প্রকার। দ্বিচক্র শিলা প্রায় আশি প্রকার। এরপরে আরও অনেক প্রকারের আছে। পঁচিশটির বেশি চক্র থাকলে তিনি বিশ্বম্ভর হিসাবে চিহ্নিত এবং পূজিত। এর উপরে আর নাম নেই। বিভিন্ন শিলার মধ্যে বঙ্গে দামোদর, শ্রীধর, বামন, নারায়ণ, লক্ষ্মী নারায়ণ, জনার্দন বা লক্ষ্মী জনার্দন, রাজ রাজেশ্বর ইত্যাদি শিলা অধিক প্রচলিত। তবে বর্তমান কী অতীত, শিলা চেনেন এমন মানুষ অত্যন্ত বিরল। তাই নামে দামোদর হোক বা জনার্দন হোক, শাস্ত্র ও লক্ষণ অনুযায়ী তা ঠিক নামকরণ হয় না।

পরিশেষে নিঃসন্দেহে বলা যায়, শালগ্রাম শিলা শুধুমাত্র একটি সাধারণ পাথর নয়, এটি ভগবান বিষ্ণুর জীবন্ত প্রতীক হিসাবে হিন্দু ধর্মে পূজিত হয়। পৌরাণিক কাহিনি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা উভয় ক্ষেত্রেই শালগ্রাম শিলার গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। এটি মূলত নেপালের গণ্ডকী নদী থেকে পাওয়া অ্যামোনাইট জীবাশ্ম, যা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে হিন্দু ধর্মে বিষ্ণুর প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়ে আসছে।

শালগ্রাম শিলা ও তুলসী পাতা একসঙ্গে পূজিত হয় এবং এর পূজা করলে ধর্মীয় কল্যাণ, পাপমোচন, ও বিষ্ণুর আশীর্বাদ লাভ হয়। তাই এটি শুধু হিন্দু ধর্ম নয়, ভূতাত্ত্বিক গবেষণার দৃষ্টিকোণ থেকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য।

ভিমরুলের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপ বৃদ্ধের, তারপর যা হল…

ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন ট্রাক্টর চালিয়ে মাঠে ঢুকলেন এক ব্যক্তি, তারপর যা হল…

ফের বেনজির কীর্তি, ১০ ব্যাটারই শূন্য, চার রানে অলআউট গোটা দল

বিয়ের নামে ‘তোলাবাজি’, নবম পাত্রের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পাকড়াও ‘লুটেরি দুলহান’

সোমনাথ মন্দির থেকে দক্ষিণ মেরুর পথ নির্দেশ করে এই বিস্ময়কর বান স্তম্ভ

কেন রাবণের মাথা কাটলে নতুন মাথা গজাতো ? জানুন লঙ্কাধিপতির  দশ মাথার রহস্য

কেন বিধবারা অম্বুবাচী পালন করেন? জেনে নিন অজানা কারণ    

সিঙ্গুরের এই সিদ্ধেশ্বরী মায়ের মাহাত্ম্য শুনলে চমকে যাবেন

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]