আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের বহু তলে বন্দুকবাজের গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল এক বাংলাদেশির। নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশে কর্মরত ছিলেন দিদারুল ইসলাম। হবু সন্তানের মুখ দেখে যেতে পারলেন না তিনি। তাঁর স্ত্রী আট মাসের অন্তঃস্বত্তা বলে জানা গিয়েছে। তাঁর আরও ২ সন্তান রয়েছে। কিন্তু তৃতীয় সন্তানকে আর কোলে নেওয়া হল না তাঁর। বন্দুকবাজের বুলেটই কেড়ে নিল তাঁর জীবন।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের দিদারুল নিউইয়র্কে কর্মরত ছিলেন। নিউইয়র্কের বঙ্কস কাউন্টিতে থাকে দিদারুলের পরিবার। বাড়িতে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। প্রীতি ও সন্তানের জন্য অপেক্ষা করছিল দিদারুলের গোটা পরিবার। আনন্দের সংবাদ আসার আগেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। দিদারুলের মৃত্যুর খবর পেয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। সোমবার রাতে দিদারুলের মৃত্যুর খবর পেয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন তাঁরা।
নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে এক বন্দুকবাজের গুলিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত পুলিশকর্মী সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। চারজনকে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকবাজ নিজেও আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় আরো একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার সন্ধের সময় ম্যানহাটনে এটি অফিস ভবনে আচমকাই হানা দেয় এক বন্দুকবাজ। ওই অফিসের বিল্ডিংয়ে জাতীয় ফুটবল লিগের সদর দফতর রয়েছে। পাশাপাশি ব্ল্যাকস্টোন নামক একটি সংস্থার অফিসও রয়েছে। ওই অফিসে ঢুকে হামলা চালায়। হামলা চালানোর পরে তার গুলিতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর সে নিজেও নিজেকে গুলি করেছে বলে জানা গিয়েছে। ওই অফিসে গুলিু চালিয়ে ৪জনকে হত্যা করে ৩৩ তলায় উঠে আত্মঘাতী হয়েছে সে।
সূত্রের খবর, সন্দেহভাজন বন্দুকধারী লাস্ট ভেগাসের বাসিন্দা শেন ডেভন তামুরা (২৭)। পুলিশ সেই সন্দেহভাজন বন্দুক গাড়ির একটি ছবি প্রকাশ করেছে। সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে অভিযুক্ত একটি লম্বা বন্দুক হাতে ওই অফিসে প্রবেশ করেছে। অভিযুক্তের কাছে বন্দুকের লাইসেন্স ছাড়াও একটি মেয়াদ উত্তীর্ণ তদন্তকারী লাইসেন্সও মিলেছে।