‘থাই সীমান্তে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন’, কম্বোডিয়ায় থাকা ভারতীয়দের সতর্ক করল দূতাবাস

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: থাইল্যান্ডের পরে এবার কম্বোডিয়ায় থাকা ভারতীয়দের উদ্দেশে ভ্রমণ সতর্কবার্তা জারি করল ভারতীয় দূতাবাস। আজ শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে কম্বোডিয়ার ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ‘এক্স’ হ্যান্ললে এক পোস্টে দেশের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে, ‘কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে চলতি সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতীয় নাগরিকদের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভ্রমণ এড়াতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’ সেই সঙ্গে আরও বলা হয়েছে, ‘যে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে, ভারতীয় নাগরিকরা +855 92881676 নম্বরে নমপেনের ভারতীয় দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা cons.phnompenh@mea.gov.in এ ইমেল করতে পারেন।’

গত বৃহস্পতিবার থেকে পুরনো এক শিবমন্দিরের মালিকানা কার তা নিয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে দুই পড়শি দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। যদিও লড়াইটা শুরুটা হয়েছিল মে মাসের শেষের দিকে। তার পরে উত্তেজনা খানিকটা প্রশমিত হলেও গত ৪৮ ঘন্টায় দুই দেশের সেনার মধ্যে লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জনের বেশি। ভিটেমাটি ছেড়ে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছেন আরও লক্ষাধিক। সঙ্ঘাত থামার কোনও লক্ষণই নেই। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিক বিশেষ করে পর্যটকদের থাইল্যান্ডের সাত প্রদেশে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে বিশেষ ভ্রমণ সতর্কবার্তা জারি করেছে দেশটিতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।

গতকাল শুক্রবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় দূতাবাসের তরফে থাইল্যান্ডে তাকা ভারতীয়দের উদ্দেশে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছিল ভারতীয় দূতাবাস। বিশেষ ভ্রমণ পরামর্শ বা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘থাইল্যান্ডে বেড়াতে আসা পর্যটকদের থাইল্যান্ড পর্যটন কর্তৃপক্ষ এবং থাই সরকারের দেওয়া আপডেট নিয়মিত দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। থাইল্যান্ড পর্যটন কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী, উবন রাতচাথানি, সুরিন, সিসাকেত, বুড়িরাম, সা কেয়ো, চানথাবুরি এবং ত্রাত প্রদেশের বেশ কিছু জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র এড়িয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এছাড়া ফু চং-না ইয়ই ন্যাশনাল পার্ক, প্রসাত তা মুয়েন থম এবং খাও ফ্রা উইহান ন্যাশনাল পার্কে না যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

সীমান্তের পরিস্থিতি কার্যত উত্তেজনাপূর্ণ হওযায় কম্বোডিয়া সীমান্তবর্তী আটটি জেলায় তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক আইন জারির ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ড সরকার। দ্বিতীয় দিনের মতো প্রাণঘাতী লড়াই অব্যাহত থাকার প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চান্থাবুরি এবং ত্রাত প্রদেশের সামরিক বাহিনীর সীমান্ত প্রতিরক্ষা কমান্ড বিবৃতিতে জানিয়েছে চান্থাবুরির সাতটি জেলা এবং ত্রাত প্রদেশের একটি জেলায় ‘সামরিক আইন কার্যকর’ হচ্ছে।

কম্বোডিয়ার তরফে  এখনও পর্যন্ত নিহত বা আহতের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। ইতিমধ্যে দুই দেশকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে আমেরিকা, ফ্রান্স, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও চিন। যদিও মধ্যস্থতার প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে থাইল্যান্ড সরকার। থাইল্যান্ড বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয়েছে ‘কম্বোডিয়ার সঙ্গে উদ্ভুত সঙ্ঘাত নিরসনে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কোনও প্রয়োজন নেই। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সঙ্ঘাত বন্ধ করে শান্তির পথ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হবে।’ কম্বোডিয়াকে শিক্ষা দিতে থাইল্যান্ড ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। এর মধ্যে একটি দিয়ে কম্বোডিয়ার সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়।

 

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]