আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রযুক্তি-দুনিয়াতে আলোচিত এক নাম ‘ডিপসিক’। সম্প্রতি চিনের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)প্রযুক্তির চ্যাটবট নিয়ে চইচই শুরু হয়েছে গোটা বিশ্বে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডিপসিক এআইয়ের কার্যক্ষমতা এরই মধ্যে চ্যাটজিপিটি, জেমিনি ও ক্লডের মতো বিভিন্ন এআই মডেলকে পেছনে ফেলেছে ঠিকই, কিন্তু এই অ্যাপের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে প্রশ্নও আছে। নিরাপত্তা নিয়ে এর আগে প্রশ্ন তুলেছিল ব্রাজিল থেকে শুরু করে আমেরিকা।এবার ডিপসিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করল দক্ষিণ কোরিয়া।
ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি নিজেদের এআই মডেলকে প্রশিক্ষণের জন্য সব ধরনের ইনপুট ডেটা ব্যবহারের অভিযোগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ‘ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস’ বা এনআইএস।
এক বিবৃতিতে এনআইএস জানিয়েছে,ডিপসিক কৌশলে ব্যবহারকারীদের চ্যাট রেকর্ড করে। এমনকি কিবোর্ড ইনপুটের ধরন পর্যবেক্ষণ করতে পারে, যা কোনো ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করতে পারে। পাশাপাশি এটি চিনের প্রতিষ্ঠানের সার্ভারের সঙ্গেও এটি সংযুক্ত হতে পারে। চিনের আইনের আওতায় দেশটির সরকার চাইলে এসব তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। ফলে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা দুটোই প্রশ্নের মুখে।
উল্লেখ্য, ডিপসিকের আগমনের পেছনে রাজনৈতিক কারণ আছে বলে মনে করছেন অনেকেই। ডিপসিকের উত্থান যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। ইতিমধ্যেই আমেরিকা চিনের উন্নত সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এআইখাতে আমেরিকাকে টেক্কা দিতে চাই চিন। তাই ডিপফেকের মত নিজেদের মডেল বাজারে এনে চমক তৈরি করছে। তবে এই অ্যাপ মোটেও নিরাপদ নয় বলে দবি পশ্চিমাদের।