আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শিশু জন্মের সংখ্যা হু হু করে কমছে চিনে। তাই বর্তমানে তরুণ দম্পতিদের সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করছে দেশটি ৷ এমনকি দেশটিতে শিশু জন্মের হার বাড়াতে উপযুক্ত কারণ খোঁজা হবে। চিনের নব দম্পতিরা ‘সন্তান ধারণে অনিচ্ছা এবং ভয়ের কারণ’ কি এই নিয়ে দেশটিতে খুব শীঘ্রই কারণ খোঁজা হবে। এর জন্য সমীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটি।
এই নিয়ে চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের আওতায় থাকা দেশটির জনসংখ্যা ও উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে এই সমীক্ষায় চিনের ১৫০টি প্রদেশ এবং দেড় হাজার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব থাকবে৷ তাঁরা কারণ খুঁজে বের করবে এবং দেশটিতে সন্তান ধারণে সহায়তা ও উৎসাহ জোগাবে।
চিনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা চলতি বছরের গত মাসে জানান, ‘উপযুক্ত বয়সে’ বিয়ে এবং গর্ভধারণের বিষয়টি আরও এগিয়ে নিতে কাজ করবেন তাঁরা ৷ এইজন্য একটি দম্পতির মাঝে সন্তান লালন পালনের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার দিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা৷ যাতে একা কোন ব্যক্তির উপর চাপ না পড়ে। মা-বাবা উভয়েই যেন সন্তানের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেন। এতে দম্পত্তিদের মধ্যে সন্তান নেওয়ার ইচ্ছে জন্মাতে পারে।
বর্তমানে যেভাবে চিনে সন্তান জন্মের হার উদ্বেগজনকভাবে কমেছে তাতে চিন্তার ভাজ পড়েছে দেশটির কতৃপক্ষের উপর। দেশটির জনসংখ্যা জরিপ থেকে জানা গেছে ১৯৬০–এর দশকের পর সন্তান জন্মের হার দেশটিতে সবচেয়ে কম। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগের যে বিশেষজ্ঞরা চিনে জন্মের হার বাড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন তরুন দম্পত্তিদের।
জনসংখ্যার বৃদ্ধি কমাতে ১৯৭৯ সালে চিনে এক সন্তান নীতি চালু হয়েছিল। এই কারণেই দেশটিতে এমন সংকট দেখা দিয়েছে বলে মত অনেক বিশেষজ্ঞদের।বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের মতো চিনা সমাজব্যবস্থাতেও মেয়েসন্তানের চেয়ে ছেলেসন্তান বেশি আকাঙ্ক্ষিত। চিনে এক সন্তান নীতির কারণে অনেক দম্পতিই গর্ভপাত ঘটান।