নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক জন্ম-জন্মান্তরের। স্ত্রীর প্রতি প্রচণ্ড ভালবাসা দেখাতে স্বামীরা কি না কি করে থাকেন! তবে পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের এখনও স্বাধীনতা তৈরি হয়নি! স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসায় একজন স্বামী যেমন নিজেকে উৎসর্গ করতে পারেন, তেমনি স্ত্রীকে খুন করতেও হাত কাঁপে না। যাই হোক, এবার স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসায় দুর্দান্ত কাজ করে ফেললেন মেটা নির্মাতা মার্ক জুকারবার্গ। তরুণদের অনুপ্রাণিত করলেন। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও মেটার CEO মার্ক জুকারবার্গ এবার সংবাদের শিরোনামে।কারণ সম্প্রতি নিজের বাসভবনের পেছনের উঠোনে স্ত্রী প্রিসলি চ্যানের মূর্তি স্থাপন করলেন মার্ক জুকার বার্গ। আর সেই ছবি মার্ক নিজেই তাঁর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন। আর এটি ভাইরাল হওয়ার পরেই মার্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্ক জুকারবার্গ।
কিন্তু কথা হলো, নিজের বাড়ির পেছনে স্ত্রীর মূর্তিই কেন স্থাপন করলেন মার্ক জুকারবার্গ? এটি কি তাঁর কোনও সফল কৌশলের প্রাক সূচনা, নাকি নিছকই শখ? অবশ্য উত্তর মার্ক জুকারবার্গ তাঁর ছবির ক্যাপশনেই দিয়েছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, আসলে তাঁর বাড়ির পেছনের উঠোনে স্ত্রীর মূর্তি স্থাপন করার লক্ষ্য একটাই, রোমান ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা।’ মার্ক জুকারবার্গের স্ত্রীর মুর্তিটি তৈরি করেছেন ড্যানিয়েল আশরাম। যিনি আমেরিকান একজন প্রখ্যাত মূর্তি শিল্পী। মূর্তিটি ড্যানিয়েলের স্বাক্ষর শৈলী, স্থাপত্য, ভাস্কর্য ও পারফরম্যান্সের শৈল্পিক উপাদান গুলোকে প্রতিফলিত করেছে। মার্কের পোস্টে স্ত্রী প্রিসিলা উত্তর দেওয়ার পরিবর্তে, উল্টে প্রশ্ন করেন, ‘আমি যত বেশি প্রশংসা করব, তত ভাল?’
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরাও জুকারবার্গের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম তার স্ত্রীকে উৎসর্গ করার ধারণা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী মজা করে বলেছেন, ‘এই পোস্টের পর স্বামীরা সর্বত্র কাঁপছে।’ আরেকজন বলেছেন, ‘মেয়েরা, নিজেকে এমন একজন মানুষ খুঁজে নাও যে তোমার মূর্তি তৈরি করবে।’ একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন- ‘এটি খুবই চমৎকার – আপনার স্ত্রীকে দেবীর মতো দেখাচ্ছে।’ মার্ক জুকারবার্গ এবং প্রিসিলা চ্যান ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিবাহিত। তারা তিন কন্যার পিতামাতা – ম্যাক্সিমা, অগাস্ট এবং অরেলিয়া। তাদের সম্পর্ক ২০০৩ সালে শুরু হয়েছিল যখন তারা হার্ভার্ডে একটি কলেজ পার্টিতে দেখা হয়েছিল।