Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

Tungnath Temple: জেনে নিন বিশ্বের সর্বোচ্চ শিব মন্দিরের অজানা ইতিহাস

Share:

পৃথ্বীজিৎ চট্টোপাধ্যায়: দেবাদিদেব মহাদেব সর্বত্র বিরাজমান। তিনি আদি, তিনিই অন্ত। বিশ্বাস করা হয়, সমগ্র হিমালয় পর্বতমালাই তাঁর বিচরণক্ষেত্র। আর এই হিমালয়ের কোলেই অবস্থিত পঞ্চকেদার। যার মধ্যে অন্যতম শ্রী কেদারনাথ। এই কেদারনাথ ভারতে অবস্থিত মহেশ্বরের দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে অন্যতম। তবে এই পঞ্চকেদারের মধ্যেই কেদারনাথ ছাড়াও রয়েছে একটি বিশেষ শিবমন্দির, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ মন্দির। নাম তুঙ্গনাথ। এই মন্দিরটি গাড়োয়াল হিমালয়ের চন্দ্রশিলা শিখরের কোলে তুঙ্গনাথ পাহাড়ের মাথায় অবস্থিত। ‘তুঙ্গনাথ’ শব্দের অর্থ হল ‘শৃঙ্গ কুলের দেবতা’।

‘পঞ্চকেদারের’ অর্থাৎ, কেদারনাথ, মদমহেশ্বর, তুঙ্গনাথ, কল্পেশ্বর এবং রুদ্রনাথের মধ্যে তৃতীয় কেদার তুঙ্গনাথ উত্তরাখণ্ড রাজ্যের রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় অবস্থিত। মন্দিরটির উচ্চতা প্রায় ১২০৭৩ ফুট। এই তুঙ্গনাথ মন্দির মন্দাকিনী এবং অলকানন্দা নদীর উপত্যকার উপর অবস্থিত। মন্দিরটির গঠনশৈলী অনেকটাই কেদারনাথের মতো। গ্রানাইট পাথর দিয়ে তৈরি। মন্দিরের গায়েই রয়েছে অভূতপূর্ব কারুকার্য আর চূড়াতে তামার পাতের উপর সোনার প্রলেপ। মন্দিরের সামনের বাঁধানো অংশের এক পাশে আছেন ভগবান বিষ্ণু, পঞ্চ ঈশ্বরী মাতা, গৌরীশঙ্কর ও ভৈরবনাথ। গর্ভমন্দিরের ভেতরই রয়েছে শিবলিঙ্গ মূর্তি এবং মূর্তির পিছনেই শঙ্করাচার্যের তৈলচিত্র। বাঁদিকে কালভৈরব এবং ডান দিকে ঋষি বেদব্যাস। এছাড়া মন্দিরের ঠিক সামনেই রয়েছে শ্রী নন্দীর মূর্তি। কথিত আছে, এই শিবলিঙ্গ সৃষ্টির নেপথ্যেও এক পৌরাণিক কাহিনী রয়েছে।

পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, পাণ্ডবরা যখন ভ্রাতৃহত্যার পাপ মোচন করতে শিবের পুজো করার সিদ্ধান্ত নেন, তাঁরা পুজোর জন্য বারাণসীতে দেবাদিদেব মহাদেবের দর্শন না পেয়ে উত্তরাখণ্ডে এসে পৌঁছলে মহাদেব সহজে ধরা দেবেন না বলে মহিষরূপ ধারণ করেন। পাণ্ডবরাও মহিষরূপী মহাদেবের পিছুপিছু ধাওয়া করলেও তাঁকে ধরতে অসমর্থ হন। কিন্তু কোনও কোনও স্থানে তাঁরা মহিষরূপী মহাদেবের কুঁজ, লেজ, শিং, বাহু স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। আর ঠিক সেই স্পর্শিত অংশের স্থানগুলি “পঞ্চকেদার” নামে পরিচিত হয়। কথিত আছে তৃতীয় কেদার তুঙ্গনাথে মহাদেবের ‘বাহু’ পূজিত হয়। পুরাণ অনুযায়ী, অর্জুন এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া শিবের বর পাওয়ার উদ্দেশ্যে লঙ্কেশ রাবণ তুঙ্গনাথে এসে তপস্যা করেছিলেন।

আবার এও জানা যায় যে, রাবণকে বধ করার পর পাপ খণ্ডনের জন্য শ্রী রামচন্দ্র তুঙ্গনাথের সর্বোচ্চ শিখর ১৩,১২৩ ফুট উঁচুতে অবস্থিত চন্দ্রশিলা শিখরেই মহাদেবের তপস্যা করেছিলেন। সম্প্রতি মন্দিরটি একটি জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসাবে মনোনীত হয়েছে । কেদারনাথের মন্দিরে বিশেষত রাওয়াল ব্রাহ্মণরা পুজো করলেও শঙ্করাচার্যের সময়কাল থেকে এই তুঙ্গনাথ মন্দিরে দক্ষিণ ভারতীয় লিঙ্গায়েত ব্রাহ্মণরা পুজো করে থাকেন। তবে বিগত কয়েক বছরে এই সুপ্রাচীন মন্দির পাঁচ থেকে ছ’ডিগ্রি করে হেলা নিয়ে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ অর্থাৎ Archaeological Survey of India উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জানা গেছে, গাড়োওয়াল হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই স্থাপত্য নিয়ে ২০২৩ সালের মে মাসে ASI-র আধিকারিকরা সমীক্ষা চালিয়েছিলেন।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00