নিজস্ব প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় ‘ফিনজল’-এর পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলায়। এর ফলে বঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে তামিলনাড়ুর উপকূলে। ঘূর্ণিঝড় ‘ফিনজল’(Cyclone Finjal) পুদুচেরির কাছাকাছি উপকূল অতিক্রম করার পরই উত্তর তামিলনাড়ুর উপকূলীয় জেলাগুলিতে শুরু হয় ভারী বৃষ্টিপাত। সঙ্গে বইতে থাকে ঝোড়ো হাওয়া। দুর্যোগের কারণে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ পরিস্থিতির। এখনও পর্যন্ত চেন্নাইতে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ অন্তর্বাস ছাড়া তোয়ালে জড়িয়ে মেট্রোয় ৪ তরুণী, চোখ ছানাবড়া সহযাত্রীদের, রইল ভিডিও
শনিবার রাতেই ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করে। সেখানকার স্থানীয় আবহাওয়া দফতর এদিন একাধিক জেলায় লাল সতর্কতা জারি করেছিল। ভিলুপুরম, কাল্লাকুরিচি, কুদ্দালোর এবং পুদুচেরিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, তা অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছে। এখনও ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তামিলনাড়ুর চেন্নাই, তিরুভাল্লুর, চেঙ্গালপাট্টু, কাঞ্চিপুরম, রানিপেট, তিরুভান্নামালাই, ধর্মপুরী, সালেম, আরিয়ালুর, পেরাম্বলুর, থাঞ্জাভুর, তিরুভারুর, নাগাপট্টিনম, মায়িলাদুথুরাই এবং কারাইকাল অঞ্চল সহ অন্যান্য জেলাগুলিতেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার, প্রতিবাদে বাতিল হল হেমতাবাদের মিলন মেলা
বৃষ্টির কারণে চেন্নাইয়ের নিচু এলাকাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এমনকি লোকাল ট্রেন চলাচলেও সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে সমস্যায় পড়েছেন উপকূলবর্তী জেলাগুলির বহু মানুষ। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে স্থানীয়দের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যদিও এলাকায় জারি রয়েছে লাল সতর্কতা।