১৯৭১ সালের পর প্রথম, রাজ্যগুলিকে নিরাপত্তার ‘মহড়া’ চালানোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক যুদ্ধ চলাকালীনই আগামী ৭ মে দেশের সবকটি রাজ্যকে নিরাপত্তার 'নকল মহড়া' চালানোর নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার জের! ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক যুদ্ধ চলাকালীনই আগামী ৭ মে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যকে নিরাপত্তার ‘মহড়া’ চালানোর নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাতে বোঝাই যাচ্ছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাতের প্রস্তুতি জোরদার করছে ভারত। সরকারি সূত্র অনুযায়ী আগামী ৭ মে কার্যকর নাগরিক প্রতিরক্ষার জন্যে ‘মহড়া’ পরিচালনা করতে বলেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর নিরাপত্তার মহড়া চলাকালীন বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শত্রুর আক্রমণের সময় কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হবে সে সম্পর্কে বেসামরিক নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে শত্রুদেশের আক্রমণের সময় নিজেদের রক্ষার্থে নাগরিক প্রতিরক্ষা সম্পর্কে জ্ঞাত থাকে দেশের তরুণ প্রজন্মের। এই মক ড্রিলের মূল লক্ষ্য হল, যেকোনও সময়ে শত্রুদেশের হামলার প্রেক্ষিতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সূত্র আরও জানিয়েছে যে, মহড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ কারখানা, প্রতিষ্ঠানগুলির ক্র্যাশ ব্ল্যাকআউট ব্যবস্থা এবং দ্রুত ছদ্মবেশ ব্যবস্থা করা হবে। এতেই আভাস মিলছে যে, যে কোনও সময়ে দেশে যুদ্ধ লাগবে। তাই আগেভাগেই দেশবাসীকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যাতে যে কোনও পরিস্থিতিতে দেশবাসী নিজেদের রক্ষা করতে পারে। তার জন্যেই যুবসমাজকে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে রাজ্যগুলিকে নিরাপত্তার মহড়া দিতে বলা হয়েছে। বারবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় সেনা চৌকিতে পাকিস্তানের গুলিবর্ষণের ঘটনার জন্যে রাজ্যগুলিকে এই নিরাপত্তা মহড়ার পরামর্শ দেওয়া হল। গত ১১ রাত ধরে বিনা উস্কানিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী গুলি চালিয়েছে। যার তীব্র জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁও-তে পাকিস্তান-সমর্থিত সন্ত্রাসীরা হিন্দু পর্যটকদের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ২৬ জনকে হত্যা করার পর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশ। যেখানে একজন নেপালি নাগরিকও ছিলেন। ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ জওয়ানদের উপর হামলার পর এটি কাশ্মীর উপত্যকার সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা। ভারতের প্রতিশোধের আশঙ্কায় পাকিস্তান তাদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি বাড়িয়েছে, সীমান্ত ফাঁড়ি শক্তিশালী করেছে। এদিকে পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় ভারত পাকিস্তানে বিরুদ্ধে ব্যাপক কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করা, পাকিস্তানি বিমান সংস্থাগুলির জন্য তার আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া। অন্যদিকে ইসলামাবাদও একই রকম পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং সিমলা চুক্তি স্থগিত করেছে। সরকারি সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পহেলগাঁও হামলার বিষয়ে একাধিক উচ্চ-স্তরের বৈঠক করেছেন। কঠোর বার্তায়, প্রধানমন্ত্রী এই জঘন্য হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদের শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]