Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

‘হাম দো হামারে দো’ যেন প্রহসন! ৫৫ বছর বয়সে ১৭ তম সন্তানের জন্ম দিলেন মহিলা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, উদয়পুর: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বহু বছর আগে সরকার ‘হাম দো, হামারে দো’ স্লোগান চালু করেছিল। সাধারণ মানুষকে এই বিষয়ে সচেতন করার জন্য, স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে। ভারত থেকে বহু সংস্থা দম্পতিদের হাতে তুলে দেন নিরোধ, পরামর্শ দেওয়া হয় নির্দিষ্ট বয়সের পর বন্ধ্যাত্বকরণের। কিন্তু রাজস্থানের উদয়পুরের আদিবাসী এলাকা ঝাড়োল থেকে এমন একটি ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে, যা তুলে ধরছে ভারতেই এক অন্য চিত্র।

আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়দোল কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে একটি খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এখানে ৫৫ বছর বয়সী রেখা কালবেলিয়া নামে এক  মহিলা তার ১৭ তম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। রেখা ইতিমধ্যে ১৬ সন্তানের মা। যদিও ৪ ছেলে এবং ১ মেয়ে জন্মের পরেই মারা গিয়েছিল। তাঁদের বাদ দিলেও ১৭ তম সন্তানের জন্ম দেওয়ার আগে ১১ সন্তান জীবিত তাঁর। রেখার পাঁচ সন্তান বিবাহিত, তাঁদের ঘরেও সন্তান রয়েছে।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৫৫ বছর বয়সী প্রৌঢ়া ১৭ তম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এই খবর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। রেখার স্বামী কাওয়ারা কালবেলিয়া বলেন যে তাদের থাকার জন্য কোনও বাড়ি নেই। খুব কষ্ট করে সংসার চালাতে হয়। সন্তানদের খাওয়ানোর জন্য, এক মহাজনের কাছ থেকে ২০% সুদের হারে টাকা নিতে হয়েছিল। লক্ষ টাকা পরিশোধ করার পরেও এখনও সুদ সম্পূর্ণ পরিশোধ হয়নি।

কালবেলিয়া পরিবারের পেশা বর্জ্য সংগ্রহ করা। টাকা নেই, তাই সন্তানদের স্কুলে পাঠাতেও পারেনি এই পরিবার। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় একটি বাড়ি পেয়েছিলেন, কিন্তু আজ তাঁরা গৃহহীন। কারণ জমি তাদের নামে নেই। কাওয়ারা জানিয়েছেন তাঁদের কাছে সন্তানদের খাওয়ানোর মতো টাকা পর্যন্ত থাকে না, বিয়ের জন্য সামান্য গয়না দেওয়ার ক্ষমতাও নেই। শিক্ষা এবং পারিবারিক সমস্যায় ভুগে প্রতিদিন জীবন চালানো এখন হয়ে পড়েছে অত্যন্ত কষ্টকর।

ঝাড়দল কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ রোশন দারাঙ্গি বলেন, রেখাকে যখন ভর্তি করা হয়েছিল, তখন পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে তিনি চতুর্থবার মা হতে চলেছেন। পরে জানা গেল যে এটি তাঁর ১৭তম সন্তান। এখন রেখা এবং তার স্বামীকে বন্ধ্যাত্বকরণ সম্পর্কে সচেতন করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

একদিকে, সরকার যখন একবিংশ শতাব্দীতে ভারতকে একটি উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিচ্ছে, তখন উদয়পুর জেলার একটি অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া আদিবাসী এলাকার একজন মহিলা তার ১৭ তম সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন। একটা জিনিস স্পষ্ট, যতক্ষণ না আদিবাসী এলাকা এবং গ্রামগুলির সামগ্রিক উন্নয়ন না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ভারতের রূঢ় বাস্তব চিত্রপটের কোনও পরিবর্তন হবে না।

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00