নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘ দিন ধরে গঞ্জনা, পরিবারিক অশান্তি সহ্য করতে পারছিল না পুলিশকর্মীর স্ত্রী। তাই বাধ্য হয়েই ছেলে সহ শেষ করে দিলেন নিজের জীবন। গুজরাটের হিম্মতনগরের বাসিন্দা কর্মরত এক পুলিশ অফিসারের স্ত্রী এমনই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের স্ত্রী তার ৭ বছরের ছেলেকে নিয়ে তার অ্যাপার্টমেন্টের তৃতীয় তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
মৃত মহিলার বাবার অভিযোগ, ২০১৪ সালের মে মাসে মিতেশ ভানিয়ার সঙ্গে মেয়ে বিরাজের বিয়ে হয়। বিয়ের পর রিধামের জন্ম হয়, যার বয়স ছিল সাত বছর। বিয়ের কয়েক বছর সবকিছু ঠিকঠাক চলার পর, ২০১৯ সাল থেকে, বিরাজের শাশুড়ি সবিতা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে ঝগড়া শুরু করে। যেখানে বিরাজের শ্বশুর ধনজিভাইও তার স্ত্রী সবিতাকে সমর্থন করেছিলেন। বিরাজ তার স্বামী মিতেশের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলেও মিতেশও বিরাজকে প্রতিদিন মারধর করত। আর দিন দিন তা ক্রমশ বেড়ে চলে। বিরাজের বাবা বলেন, রিধাম বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কথা বলতে সমস্যা হচ্ছিল। এ নিয়ে মিতেশ তার স্ত্রীকে কটূক্তি করতেন যে, কেন এমন সমস্যায় তিনি ছেলের জন্ম দিলেন। সেই সঙ্গে বেড়ে যায় বিরাজের পরিবারের সদস্যদের শোষণ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, এরপর ৭ই ডিসেম্বর দত্ত ও বিকেশ তাদের বোন বিরাজের বাড়িতে দেখা করতে যান। কিন্তু ৮ ডিসেম্বর ছেলেসহ অ্যাপার্টমেন্টের তৃতীয় তলা থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। মামলায় পুলিশ বলছে, নিহত নারী বিরাজের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।