নিজস্ব প্রতিনিধি,সিকিম:উত্তর সিকিমে ধস।লাচেন ও লাচুংয়ে আটকে শত শত পর্যটক, উদ্ধার অভিযানে প্রশাসন।টানা ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের(North Sikkim) একাধিক জায়গায় ধস নামায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ওই এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। চুংথাং-লাচেন ও চুংথাং-লাচুং রুটে একাধিক জায়গায় ধস নামায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে পর্যটনাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা।জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশ সূত্রে খবর, লাচেনে আটকে রয়েছেন প্রায় ৬০০ পর্যটক ও ১০০টিরও বেশি গাড়ি এবং লাচুংয়ে আটকে রয়েছেন প্রায় ৮০০ পর্যটক ও ১৫০টি গাড়ি।
চুংথাংয়ে আশ্রয় নেওয়া পর্যটকদের প্রশাসনের সহায়তায় ইতিমধ্যেই গ্যাংটকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তাঘাট সচল করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন হোটেল মালিক ও পর্যটকদের অনুরোধ করেছে। তারা যেন আপাতত নিজেদের অবস্থানে থাকেন এবং অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হন।এর পাশাপাশি উদ্ধার ও রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে জোরকদমে। যাতে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায়। রাজ্য প্রশাসনের তরফেও পর্যটকদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি ভালো হলে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হবে দ্রুত গতিতে।
এদিকে,রবিবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণের প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। দু-একটি জেলায় বৃষ্টি হতে পারে শনিবার। কলকাতায়(Kolkata) সোমবার পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টির বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার এবং সোমবার শহরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ঘন্টায ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবার সম্ভাবনা রয়েছে। একই পূর্বাভাস হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায়। একটানা দহন জ্বালা থেকে সাময়িক মুক্তি মিলবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে, তীব্র দাবদহের মধ্যেই স্বস্তির ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গে টানা চারদিন তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস জারির পরেই শনিবার রাত থেকে আবহাওয়ার আমূল পরিবর্তনের কথা শোনাল হাওয়া অফিস।