কেনাকাটার পর মোবাইল নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়! ক্রেতার ডেটা সুরক্ষায় নয়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের

সর্বসমক্ষে আর ক্রেতাদের মোবাইল নম্বর চাইতে পারবেন না কোনও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বা বিপণনী সংস্থাগুলি। এবার এমনই একটি আইন আনতে চলেছে কেন্দ্র।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সর্বসমক্ষে আর ক্রেতাদের মোবাইল নম্বর চাইতে পারবেন না কোনও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বা বিপণনী সংস্থাগুলি। এবার এমনই একটি আইন আনতে চলেছে কেন্দ্র। ক্রেতা সুরক্ষার্থেই এবার কড়া আইন আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অনেক সময় সর্বসমক্ষে মোবাইল নম্বর চাইলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ক্রেতাকে। এক্ষেত্রে ক্রেতার ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা লঙ্ঘিত হয়। তাই ব্যক্তিগত ডিজিটাল ডেটা সুরক্ষা আইন (Digital personal data protection act) চালু হলে, প্রকাশ্যে ক্রেতার নম্বর চাইলে তা বেআইনি বলে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে বিক্রেতাদের শাস্তি থেকে মোটা টাকা জরিমানাও হতে পারে। চলতি বছলের জানুয়ারিতেই এই আইনের খসড়া তৈরি করে ফেলেছিল কেন্দ্র। অবশেষে এই আইন কার্যকর করার পথে কেন্দ্র। আপাতত বিধিতে কোনও বদল আনার পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শপিং মলগুলির বিভিন্ন স্টোর বা দোকান, ওষুধের নামী বিপণি সংস্থাগুলি ক্রেতাদের কাছে তাঁর মোবাইল নম্বর চেয়ে থাকে।

এর কারণ হয়ে থাকে, কখনও অনলাইনে রশিদ দেওয়ার জন্য, আবার কখনও বিশেষ কোনও ছাড়ের তথ্য দেওয়ার জন্যে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বিপণি সংস্থার কর্মীরা বিল কাউন্টারেই মৌখিক ভাবে ক্রেতাদের থেকে মোবাইল নম্বর চেয়ে থাকে। আর বাধ্য হয়ে আওয়াজ করেই ক্রেতাদের মোবাইল নম্বর দিতে হয়। যা আশপাশের লোকজন শুনে নেয়, এবং সেই দোকানের রেকর্ডে ক্রেতাদের নম্বর থেকে যায়। যার ফলে ক্রেতার ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা লঙ্ঘিত হচ্ছে। তাই কেন্দ্রের আনা নতুন আইনে উল্লেখ করাই থাকবে যে, সর্বসমক্ষে মোবাইল নম্বর চাইতে পারবে না সংস্থাগুলি। আর তাতে বিপণি সংস্থাগুলিকে সমস্যায় পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবতে হবে সংস্থাগুলিকে। এ বিষয়ে ডিজিটাল এবং সাইবার সুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ের প্রধান এস চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে দোকানদারেরা মৌখিক ভাবে ক্রেতাদের থেকে মোবাইল নম্বর চাওয়ার পরিবর্তে কোনও কি প্যাডের মাধ্যমে সেই তথ্য নিতে পারে। পাশাপাশি ক্রেতাদের বিষয়ে কোনও তথ্য কেন নেওয়া হচ্ছে, কত দিনের জন্য তা নেওয়া হচ্ছে এবং কবে মুছে ফেলা হবে, তা ক্রেতাদের অবশ্যই জানিয়ে দিতে হবে। তাদের সম্মতি থাকলে তবেই ক্রেতার তথ্য নেওয়া যেতে পারে।

নতুন আইনে বলা থাকবে যে, যদি কোনও ক্রেতা মোবাইল নম্বর না চায়, তাঁকে কোনভাবে চাপ না দিয়ে পরিষেবা দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে মোবাইল রিচার্জ বা সমতুল কোনও পরিষেবার খেতে কোনও কড়াকড়ি থাকছে না। এই আইন চালু হলে বিপণনী সংস্থাগুলি ক্রেতাদের মোবাইল নম্বরের বিকল্প হিসাবে তাদের ইমেল আইডি চাইতে পারে। তবে ক্রেতাদের থেকে নেওয়া তথ্য কাজ মিটে গেলে মুছে ফেলতে হবে। ইতিমধ্যেই ২০২৩ সালের অগস্টে সংসদের উভয় কক্ষে এই সংক্রান্ত বিল পাশ হয়ে গিয়েছে। রাষ্ট্রপতির সম্মতিও মিলেছে। কিন্তু আইনটি এখনও কার্যকর হয়নি।

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]