নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নারী দিবসে বড় ঘোষণা মধ্যপ্রদেশ সরকারের। এবার থেকে রাজ্যে যাঁরা জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করবে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। শনিবার (৮ মার্চ) ভোপালের কুশাভাউ ঠাকরে কনভেনশন সেন্টারে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মোহন যাদব এই ঘোষণাটি করেছেন। নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে ধর্মান্তরকরণ নিয়ে এমন ঘোষণা করেন। যা নিঃসন্দেহে জাতির স্বার্থে ভাল সিদ্ধান্ত। যার ফলে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কেউ হস্তক্ষেপ করবে না।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এখন থেকে রাজ্যে কোনও ধর্মান্তরকরণের অনুমতি দেওয়া হবেনা। এর জন্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা বিল আনা হবে। এই মূহুর্তে মধ্যপ্রদেশে জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েই এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই সরকার ধর্মান্তর আইনে পরিবর্তন আনছে, যার ফলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকবে। এই আইন কার্যকর হলে, ধর্মান্তরিতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রথম রাজ্য হয়ে ওঠেন মধ্যপ্রদেশ। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আমরা একটি বিধান করছি যে, আমাদের সরকার ধর্মান্তরিতদের ফাঁসি দেবে। সরকার যেকোনও ধরণের ধর্মান্তকরণ এবং অসদাচরণের বিরুদ্ধে সংকল্পবদ্ধ। আমরা আমাদের সমাজে এই ধরনের কুকর্মগুলিকে আর প্রশ্রয় দেব না। নিরীহ মেয়েদের শ্লীলতাহানির ক্ষেত্রেও সরকার খুবই কঠোর, তাই মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠিন বিধান রাখা হয়েছে।
যাঁরা জোর করে বা মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে অপকর্ম করে, আমাদের সরকার তাঁদের ছেড়ে দেবে না। আমরা এই ধরনের লোককে কোন অবস্থাতেই সমাজে বেঁচে থাকার অধিকার দেব না।’ সম্প্রতি, রাজ্যে এমন অনেক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে যুবকরা তাদের পরিচয় গোপন করে মেয়েদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেং তারপর তাদের ধর্ষণ করে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে। ভোপালে এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনাও গতি পেয়েছে, যার ভিত্তিতে হিন্দু সংগঠনগুলি লাভ জিহাদের তদন্তের দাবি জানিয়েছিল। এই সকল ধর্মান্তরকরণ এবার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করার জন্য সরকার এই ধরনের মামলায় কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে।