নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বর্তমানে ৮ থেকে ৮০ সবার রাজ সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাশাপাশি তরুণ থেকে প্রবীণ, সকলের রোজগারের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। আর একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে অপরাধী জগত। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন লক্ষীলাভের অন্যতম মাধ্যম তেমনই জালিয়াতিরও অন্যতম দিক। প্রতারণার খপ্পরে পড়ে কোটি কোটি টাকা যেমন খোয়াচ্ছেন অনেকে, তেমনি অপরাধমূলক ঘটনাও ঘটছে। শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনলাইন বেটিং অ্যাপগুলিরও ক্রমশ প্রচার বাড়ছে। নতুন নতুন বিজ্ঞাপন এবং ওয়েবসাইট গুলিকে বিশেষ স্থান দেওয়া হচ্ছে Google ও মেটার মতো টেক জায়ান্টগুলিতে। আর তাতেই তরুণ প্রজন্ম অন্ধকারে ডুবছে।
কেননা এহেন টেক জায়ান্টগুলিতে বেশি বাস তরুণ প্রজন্মের। আর সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে করতে সেগুলি প্রতিনিয়ত নজরে আসছে তরুণ প্রজন্মের। আর তাতেই তরুণ প্রজন্ম বেটিং অ্যাপগুলির উপর মনোযোগ দিচ্ছে। বাজিতে নেশাকাতুর হয়ে খোয়াচ্ছে প্রচুর প্রচুর টাকা। সবথেকে বড় ব্যাপার এইসব বেটিং অ্যাপগুলির বিজ্ঞাপনের মুখ্য মুখ হচ্ছেন তারকারা। তাঁরাও টাকার লোভে এর বিজ্ঞাপনে মুখ দেখিয়ে বিপাকে পড়ছে। তাই এবার Google ও মেটা কে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অনলাইন বেটিং অ্যাপ সম্পর্কিত মামলার তদন্তের জন্য গুগল এবং মেটাকে নোটিশ পাঠাল ইডি। ইডির অভিযোগ, এই দুটি সংস্থাই বেটিং অ্যাপ প্রচার করেছে।
মুলত তাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই অনলাইন বেটিং অ্যাপগুলির বিজ্ঞাপন এবং ওয়েবসাইটগুলি প্রাধান্য পাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্ম গুলির বিরুদ্ধে অনলাইন বেটিং বিজ্ঞাপন, ওয়েবসাইট গুলিকে বিশিষ্ট স্থান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই আগামী ২১ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উভয় সংস্থার প্রতিনিধিদের তলব করেছে ইডি। এই পুরো মামলায়, প্রথমবারের মতো ভারতে পরিচালিত কোনও বড় প্রযুক্তি সংস্থাকে এই বিষয়ে সরাসরি জবাবদিহি করবে ইডি। ইডির এই পদক্ষেপ অনলাইন বেটিং অ্যাপের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক অভিযানের অংশ, যেখানে অনেক বড় বড় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা তদন্ত করা হচ্ছে। ইডির এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায় যে, তদন্ত আরও বৃহত্তর পরিসরে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যেই অনেক চলচ্চিত্র তারকা, সোশ্যাল মিডিয়া প্রভাবশালী অবৈধ বেটিং অ্যাপ প্রচারের জন্য তদন্তের আওতায় এসেছেন। এবং আইনী ঝামেলায় জড়িয়েছেন।