নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বর্তমানে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শেখ হাসিনা। এই পরিস্থিতি মঙ্গলবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল মোদি সরকার। আর এদিনের এই বৈঠকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শুধু তাই নয় এদিন ভারত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে সব দলের নেতাদের অবহিত করা হবে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
এদিনের বৈঠকে হাজির হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, মন্ত্রিপরিষদসচিব রাজীব গৌবা, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রিন্সিপাল সচিব পিকে মিশ্র, ‘র’-এর প্রধান রবি সিনহা, গোয়েন্দা বিভাগের (আইবি) পরিচালক তপন ডেকা, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি –সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠকের মাধ্যমে হাসিনাকে নিয়ে ভারতের অবস্থান কী, তা জানাতে পারে মোদি সরকার।
উল্লেখ্য, জনরোষের ভয়ে সোমবার দুপুরে বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটা নাগাদ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার পরেই বঙ্গভবন থেকে সেনাবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। গাজিয়াবাদের হিন্ডন বায়ুসেনা ঘাঁটিতে অবতরণের পর সোমবার সন্ধ্যায় ভারতের মুখ্য নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল গিয়ে সাক্ষাৎ করেন হাসিনার সঙ্গে। অন্যদিকে দেশত্যাগের পরে হাসিনার সরকারি বাসস্থান ‘গণভবন’, সংসদ ভবন দখল নিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতা। এই আবহে বাংলাদেশ নিয়ে ভারত কী পদক্ষেপ নেবে সেটাই এখন মূল প্রশ্ন।