অসমে দুর্গাপুজো পর্যন্ত বহাল থাকবে ‘দেখামাত্র গুলি’র নির্দেশ, কেন এই সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর?

হ্যাঁ, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা জানিয়েছেন, 'দেখামাত্র গুলি চালানোর' নির্দেশ দুর্গাপুজো পর্যন্ত বহাল থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ অগস্ট) কোকরাঝাড়ের এক অনুষ্ঠানের ফাঁকে ধুবুড়ির বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হিংসা থামলেও এখনও থমথমে অসমের ধুবুড়ি। মাস দুয়েক থেকেই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জ্বলছে ধুবড়ি। তাই অশান্তি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত জুনে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ঘোষণা করেছিলেন যে, ধুবড়ি জেলায় সাম্প্রদায়িক শান্তি ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার চেষ্টাকারীদের দেখামাত্রই গুলি চালাতে হবে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ শুধুমাত্র রাতের জন্যে কার্যকর ছিল। তবে আসছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। অসমেও নির্দিষ্ট সংখ্যক বাঙালি থাকার কারণে দুর্গাপুজো হয়? তবে কী পুজোর সময়েও মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ বহাল থাকবে? হ্যাঁ, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা জানিয়েছেন, ‘দেখামাত্র গুলি চালানোর’ নির্দেশ দুর্গাপুজো পর্যন্ত বহাল থাকবে। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ অগস্ট) কোকরাঝাড়ের এক অনুষ্ঠানের ফাঁকে ধুবুড়ির বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা।

তিনি জানিয়েছেন, ‘দেখামাত্র গুলি করা’র নির্দেশের সময়সীমা আরও বাড়ছে। এই নির্দেশ প্রত্যাহার হবেনা, বরং অব্যাহত থাকবে। দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য রুখতে এই পদক্ষেপ। ধুবুড়িতে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। যে কেউ কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে পারেন। তবে এখন ধুবুড়ি আপাতত শান্ত। আর কোনও অশান্তিমূলক ঘটনা ঘটেনি। তাই ভবিষ্যতেও যাতে আর কোনও অশান্তি না হয়, তাই তাঁর দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ বহাল থাকবে। ধুবুড়িতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সুত্রপাত হয়েছিল গত জুনে বকরি ঈদের পরের দিন থেকে। যখন একদল মানুষ সাম্প্রদায়িক বিরোধ উস্কে দেন হিন্দু মন্দিরে কয়েকটি গরুর মাথা রেখে। এরপরেই অশান্তি চরমে উঠেছিল।

আর অশান্তি থামাতে গত ১৩ জুন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “ধুবড়ি জেলায় সাম্প্রদায়িক অশান্তি যাঁরা উস্কে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি। প্রয়োজনে, শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য পুলিশ রাতে দুর্বৃত্তদের দেখামাত্রই গুলি করতে পারবে। গত সপ্তাহ থেকে ধুবড়িতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভীতিকর পর্যায়ে চলে গিয়েছে। বকরি ঈদের পরের দিন, কিছু লোক হনুমান মন্দিরের সামনে কয়েকটি কাটা গরুর মাথা রেখেছিল। এরপরেই অশান্তি চরমে পৌঁছতে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের লোকেরা দেখা করে এবং শান্তি কমিটিও আলোচনা করে। মনে করা হয়েছিল এই আলোচনায় বিষয়টি সমাধান হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পরের দিন, মন্দির প্রাঙ্গণে আরেকটি গরুর মাথা পাওয়া যায়। তারপরেই পাথর ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটে। তাছাড়া, ধুবড়িতে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে পোস্টার লাগানো হয়েছিল। একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী অশান্তি ছড়ানোর জন্যে এই ধরনের বিরোধীমূলক কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাই আমরা এর বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করেছি।” মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ দুর্গাপুজো পর্যন্ত বহাল থাকবে।

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]