নিছক দুর্ঘটনা নাকি অন্তর্ঘাত! ভেঙে পড়া বিমানের ‘ব্ল্যাক বক্স’-এর খোঁজে তল্লাশি

জানা গিয়েছে, বিমান দুর্ঘটনার পর ব্ল্যাক বাক্স অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যেটি খুঁজে পেলে দুর্ঘটনার আগে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।  প্রতিটি বিমানে একটি বিশেষ যন্ত্র থাকে, যার নাম ব্ল্যাক বাক্স

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাত্র ৭ মিনিটেই সর্বনাশ! বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে গুজরাতের আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পটেল  বিমানবন্দর থেকে ওড়ার ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ড্রিমলাইনার বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমান। মূহুর্তের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যায় পুরো বিমানটি। আহমেদাবাদের মেঘানী নগরে ভেঙে পড়ে বিমানটি। জানা গিয়েছে, বি জে মেডিক্যাল কলেজের নির্মীয়মাণ হোস্টেলের ছাদে ধসে পড়ে আগুন ধরে যায় বিমানটিতে। রীতিমতো চুরমার হয়ে যায়। ১২ জন ক্রু সদস্য এবং ২৩০ জন যাত্রীকে নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল বিমানটি। কিন্তু কারোরই বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্য চলছে। দমকল বাহিনী এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে, দুর্ঘটনায় ঝলসে দিয়েছে যাত্রীর প্রাণ। এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও যে ভবনের উপর বিমানটি ধ্বংস হয়েছে সেই ভবনে থাকা ৫ জন চিকিৎসক মারা গিয়েছে। তবে এখনও বিমান দুর্ঘটনার সঠিক তথ্য পাওয়া যায় নি। জানা যাচ্ছে, টেক অফের পরেই বিমানের জোড়া ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এখন প্রশ্ন উঠছে যে, কোনও বিমানে ফিট সার্টিফিকেট দেওয়ার পরেই সেই বিমান ওড়ার জন্য প্রস্তুত হয়। এক্ষেত্রেও নিশ্চয় গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার সেই সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন।

হাসপাতালগুলিতে হাহাকার পড়ে গিয়েছে যাত্রীর স্বজনদের। ঘটনায় সবরকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিকে দুর্ঘটনার পরেই একাধিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, বিপদের ইঙ্গিত পেয়ে এটিসিতে ‘May day’ বলে সংকেত পাঠিয়েছিলেন পাইলট। কিন্তু এরপরে বিমানের সঙ্গে ATC-র যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, বিমান দুর্ঘটনার পর ব্ল্যাক বাক্স অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যেটি খুঁজে পেলে দুর্ঘটনার আগে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। তবে এটি অন্তর্ঘাত কিনা সেতিও তদন্ত চলছে।  প্রতিটি বিমানে একটি বিশেষ যন্ত্র থাকে, যার নাম ব্ল্যাক বাক্স। এটি কোনও সাধারণ বাক্স নয়, বরং একটি রেকর্ডিং মেশিন। যা বিমানের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেকর্ড করে। যখনই কোনও বিমান দুর্ঘটনা ঘটে, তদন্তকারী দল প্রথমে ব্ল্যাক বাক্সটি অনুসন্ধান করে। কারন দুর্ঘটনার আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা কেবল সেখান থেকেই জানা যায়। ব্ল্যাক বাক্সটি দুটি ভাগে বিভক্ত।

প্রথমটি হল CVR অর্থাৎ COCKPIT VOICE RECORDER এবং দ্বিতীয়টি হল FDR অর্থাৎ FLIGHT DATA RECORDER।CVR অর্থাৎ COCKPIT VOICE RECORDER-এ পাইলট এবং সহ পাইলটের মধ্যে কথোপকথন, অ্যালার্ম এবং অন্যান্য ককপিটের শব্দ রেকর্ড করা যায়। FDR অর্থাৎ FLIGHT DATA RECORDER-এ বিমানের গতি, উচ্চতা, দিক, ইঞ্জিনের অবস্থা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত তথ্য রেকর্ড করা থাকে। এটা এতটাই শক্তিশালী যে, আগুন, জল, তীব্র আঘাত বা উঁচু থেকে পড়ে গেলেও এটি ভাঙবে না। এমনকী এটি ৩০ দিন জলে ডুবে থাকতে পারে। একটানা বিপিং সিগন্যাল পাঠায়, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।

বিধ্বস্ত বিমানের ‘ব্ল্যাক বক্স’ ক্ষতিগ্রস্ত, পাঠানো হতে পারে বিদেশে

লড়াই করেও গুজরাতের কাছে হেরে গেল কেকেআর

‘দিল্লি থেকে এল গাই, সাথে এল মোটা ভাই’, শাহ-এজেন্সিকে কটাক্ষ মমতার

‘‌আমি আইনি পদক্ষেপ করব’‌, এজেন্সির অপব্যবহার নিয়ে সুর সপ্তমে মমতার

হেশতলায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মালবাহী ট্রাকের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন মহিলার দেহ, গুরুতর আহত স্বামী

আফগানিস্তানে তীব্র ভূমিকম্প! হু হু করে মৃত্যু বেড়ে ২৫০, আহত ৫০০

সংগঠনে নজর দিতে আরামবাগ ও ঘাটালের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অভিষেকের

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

[hls_player autoplay="1" fullscreen="1" unmute="0"]