নিজস্ব প্রতিনিধি, হায়দরাবাদ: হায়দরাবাদে যৌন নির্যাতনের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। নির্যাতনের শিকার হয়েছে এক নাবালক শিশু, নির্যাতনকারী ২৮ বছর বয়সী এক মহিলা। তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে। নির্যাতিতর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত মহিলার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং পকসো আইনে মামলা দায়ের করেছে।
তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি এবং অভিযুক্ত মহিলা হায়দরাবাদের জুবিলি হিলস থানার অধীনে একটি সার্ভেন্ট কোয়ার্টারে থাকে। বিভিন্ন বাড়িতে গৃহসহায়িকার কাজ করত সে। ছেলেটি এবং তার মা অভিযুক্তর কোয়ার্টারে থাকেন। অভিযোগ, ওই মহিলা শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন চালায়। তারপর আবার শিশুটিকে ভয়ও দেখায়।
জুবিলি হিলস থানার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, নাবালকের মা ওই মহিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে, যৌন অপরাধ থেকে শিশুদের সুরক্ষা (পকসো) আইনের প্রাসঙ্গিক ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত মহিলাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে।
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে হায়দরাবাদে তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের এক নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই মামলায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি, পকসো আইন, বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধকরণ আইন, তফসিলি জাতি ও উপজাতি আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
পুলিশের মতে, অভিযুক্ত ১৫ বছর বয়সী নির্যাতিতাকে দুই বছর ধরে চিনত। ২০২৪ সালের নভেম্বরে কিশোরীকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে হায়দরাবাদ, বিশাখাপত্তনম সহ বেশ কিছু জায়গায় যায় অভিযুক্ত, সেই সঙ্গে চলতে থাকে ধর্ষণ। অভিযুক্ত নির্যাতিতাকে বিয়েও করেছিল। মেয়ে নিখোঁজ হওয়ায় বাবা-মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
শুরু হয় খোঁজ। এরপর পুলিশ তদন্ত করে ৭ মার্চ নাবালিকাকে উদ্ধার করে। নাবালিকাকে বিয়ে এবং যৌন শোষণের অভিযোগে যুবককে গ্রেফতার করা হয়।