নিজস্ব প্রতিনিধি : চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মায়ের যে কৈলাস যাবার সময় হয়ে গিয়েছে। এইসময় দুপুরের পাতে বানিয়ে নিতে পারেন ‘ওল চিংড়ি’। এই পদটি মা ঠাকুমার আমলের পদ। স্বাদে-গুণে এর কোন তুলনা হয় না। বেশি কিছু ঝক্কিও পোহাতে হয় না। খুব সহজেই অল্প উপকরণেই বানানো যায়। এই পদ অবশ্য বাঙালি রেস্তোরাঁয় গেলে পাওয়া যায়। সেখানে গিয়ে, অর্ডার দিয়ে তবেই রসনা মেটাতে হয়।তবে সঠিক পদ্ধতি জানলে আপনিও ঘরে বসে রসনা তৃপ্তি করতে পারবেন।
উপকরণ : ওল ৩০০ গ্রাম, ২০০ গ্রাম কুচো চিংড়ি গ্রাম, পরিমাণমত সর্ষের তেল, স্বাদমত লবন, হলুদ গুঁড়ো, তেজপাতা, গোটা জিরে, কাশ্মিরী লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, কাঁচা লঙ্কা ও লেবু
প্রণালী : প্রথমে চিংড়িগুলোকে সামান্য নুন, হলুদ ও লেবুর রস দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এদিকে আলু কেটে টুকরো টুকরো করে নিন। কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে চিংড়ি মাছগুলো দিয়ে হালকা করে ভেজে তুলে রেখে দিন। এবার শুরু করুন মূল রান্নার পালা।
কড়াইতেই একটু তেল দিয়ে তেজপাতা ও জিরে ফোড়ন দিন। এবার আলু গুলোকে হালকা করে ভেজে নিন। এবার ওর মধ্যে দিয়ে দিন ওলের টুকরোগুলোও। তবে ওল খেলে যদি গলা ধরে তাই আগে থেকে কেটে ধুয়ে পরিস্কার করে রাখা ওলের মধ্যে লেবু দিয়ে দিতে পারেন। এবার সামান্য লবন দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিন। কিছুটা মশলা যোগ করতে হবে ওই রান্নাতে। তার জন্য একটা বাটিতে হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মিরী লঙ্কার গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো আর সামান্য জল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি কড়াইতে মিশিয়ে দিন।
এবার একটা বাটিতে কিছুটা তেঁতুল নিয়ে জলে গুলে ওর মধ্যে দিয়ে দিন। ভালো করে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে চিংড়ি মাছগুলো দিয়ে দিন। কষানো হয়ে গেলে গরম জল দিয়ে কড়াই ঢাকা দিয়ে দিন। যোগ করুন লবন ও চিনি। কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা চেরাও মিশিয়ে দিতে পারেন। ৫-৬ মিনিট রেখে নামিয়ে নিন। দেখবেন খুব সুন্দর গন্ধ বেরিয়েছে। এবার দুপুরে সপরিবারে আড্ডায় পরিবেশন করুন।