Loading live market data...
Loading active stocks...
Connecting...
Heatmap
×

ফের রক্তক্ষয়ী লড়াই বাংলাদেশে! মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস  বাঁচাতে ‘মঞ্চ ৭১’ গড়লেন মুক্তিযোদ্ধারা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা: শেখ হাসিনা জমানার পতনের বর্ষপূর্তির মুখেই ফের এক রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তথা পাক গণহত্যাকারীদের দোসর মোল্লা ইউনূস যখন মুক্তিযুদ্ধকে মুছে দিতে আদাজল খেয়ে আসরে নেমেছেন, ঠিক তখনই পাল্টা গর্জে উঠলেন মুক্তিযোদ্ধারা। একাত্তরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যারা পাক সেনার বিরুদ্ধে মাঠে-ময়দানে লড়াই করেছেন, সেই মুক্তিযোদ্ধারা গড়ে তুললেন নয়া মঞ্চ। ওই মঞ্চের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মঞ্চ ৭১’। বীরপ্রতীক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং জেড আই খান পান্নার উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ওই মঞ্চ। মুক্তিযুদ্ধের দুই সেনানী মোল্লা ইউনূসের নেতৃত্বাধীন পাক হানাদার বাহিনীর দোসর সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন ‘মহান মুক্তিযুদ্ধকে রক্ষায় ফের একবার রাস্তায় নেমে জীবন দিতে প্রস্তুত।’

গত বছরের ৫ অগস্ট সেনা অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা শেখ হাসিনা। আর ক্ষমতার পালাবদলের পরেই দেশে নখদাঁত বের করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে পাকিস্তানি সমর্থকরা। বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভেঙে ফেলা হয়েছে দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্য ও স্মারক। ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসাবে পালনও বাতিল করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ‘জাতির পিতা’ উপাধি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যাবতীয় সুবিধা বাতিল করা হয়েছে। কয়েক লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে ৫ অগস্ট বাংলাদেশের নতুন স্বাধীনতা দিবস ঘোষণার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধকে যেভাবে গত এক বছর ধরে মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে তা নিয়ে অনেক মুক্তিযোদ্ধার ক্ষোভ ছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই ‘মঞ্চ ৭১’ নামে নয়া আরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়েছেন তাঁরা। মঞ্চের নেতৃত্বে থাকা বীরপ্রতীক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং জেড আই খান পান্না ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ শুধু ভূখণ্ড, পতাকা বা জাতীয় সঙ্গীতের নাম নয়। এটি বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদার প্রতীক। অথচ আজ আমরা গভীর বেদনা ও ক্ষোভ নিয়ে দেখছি, এ ইতিহাস মুছে ফেলার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। অগস্ট অভ্যুত্থানের পর ঘোষিত কথিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ও বিভিন্ন বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অবমাননা ও বিকৃত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।’ বাংলাদেশকে ফের পাকিস্তান ও মার্কিন  ঔপনিবেশ হিসেবে গড়ার কাজে নামে মোল্লা ইউনূসের সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মঞ্চের দুই নেতা বলেছেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্রে’ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনও বক্তব্য বা ব্যাখ্যা রাখা যাবে না। থাকলে তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করতে হবে।মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাদ দিয়ে তথাকথিত নতুন সংবিধান প্রণয়নের চেষ্টা বাঙালি জাতি কখনও মেনে নেবে না। কোনও রাজনৈতিক দলের ব্যর্থতার দায়ে সব মুক্তিযোদ্ধাকে দায়ী করা চলবে না।  যারা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে, ইতিহাস বিকৃত করছে বা মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় করছে-তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা ও বিচার করতে হবে। যদি কেউ মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করে, তাহলে তারা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানী ঢাকায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে। প্রয়োজনে ইতিহাস রক্ষার জন্য জীবনবাজি রাখতেও প্রস্তুত।’

দীপাবলিতে ঘরে টিকটিকির আগমন শুভ নাকি অশুভ! জানলে চমকে যাবেন

ত্বকের যত্নে ভিটামিন ই ক্যাপসুল কীভাবে ব্যবহার করবেন জানুন

রসনাতৃপ্তিতে নয়া পদে সাজিয়ে তুলুন থালা, জমে যাবে শেষপাত

পুজোর আগে সুখবর, সস্তা রান্নার গ্যাস, কত কমল দাম?

‘টেন্টেড’ তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ‘অযোগ্য’-রা

পাকিস্তানেই তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদের ভিত্তি, চিনে নাম না করেই শাহবাজকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

0:00